‘একুশ বছর নির্বাসনে ছিলো গণতন্ত্র’
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জিয়ার পর এরশাদ, এরশাদের পর খালেদা জিয়া – একুশ বছর আমরা অন্ধকারে ছিলাম। একুশ বছর নির্বাসনে ছিলো গণতন্ত্র। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিলো। বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বিজয়ের নায়ক, স্বাধীনতার স্থপতিকে বাদ দিয়ে উদযাপন করা হতো।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিই আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা। মুক্তিযুদ্ধের নামে তারা ভাওতাবাজি করে। অভিন্ন শত্রু বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের আজকের শপথ এই অভিন্ন শক্তিকে পরাজিত করতে হবে।
রোববার (২৩ জুন) সকালে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৬ বছর পর শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অন্ধকারে আশার আলো হয়ে এসেছিলো। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। তিনি এসেছিলেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুত্থান হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিলো স্বাধীনতার আদর্শের প্রত্যাবর্তন।
তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বিশ্বব্যাংককে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন আমরাও পারি। আমাদের সামর্থ্যের প্রতীক, আমাদের সক্ষমতার প্রতীক এই পদ্মা সেতু নিজের টাকায় করেছেন।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এ দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। এক কথায় বলতে পারি, সংগ্রাম, সাফল্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রতিভাসের নাম আওয়ামী লীগ।























