ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজপথ বনাম রাজপ্রাসাদ

শহিদুল ইসলাম দইচ
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজপথের ত্যাগী- রাজপ্রাসাদ সুবিধা ভোগী -ঃ ত্যাগী কর্মীরা -আদর্শের টানে নিঃস্বার্থভাবে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে। মামলা-হামলা, জেল-জুলুম এবং জীবনের ঝুঁকি নেওয়া এদের নিয়তি। আর সুবিধাবাদী -চাটুকারা, ক্ষমতা আসার সাথে সাথে এরা ‘জি-হুজুর’ মন্ত্র নিয়ে হাজির হয়। এদের কোনো আদর্শ থাকে না, থাকে কেবল ক্ষমতার সুবাস নেওয়ার চাতুর্য।

শ্রেণী বৈষম্য ও রাজনীতির নির্মম পরিহাস -ঃ ​ক্ষমতা আসার সাথে সাথে এরা ‘জি-হুজুর’ মন্ত্র নিয়ে হাজির হয়। এদের কোনো আদর্শ থাকে না, থাকে কেবল ক্ষমতার সুবাস নেওয়ার চাতুর্য।

শাসকের অন্ধত্ব ও চাটুকারিতার দেওয়াল -ঃ​ক্ষমতায় বসার পর শাসকরা যে কৃত্রিম দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে পড়েন, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। চাটুকাররা রাজপ্রাসাদে এমন এক আবহ তৈরি করে যেখানে সত্য কথা পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে স্পষ্টভাষী ও আসল হিতাকাঙ্ক্ষীরা দূরে ছিটকে যায়।

ইতিহাসের নির্মাণ শিক্ষা -ঃ​”ক্ষমতা অপব্যবহারের সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো—একসময় ক্ষমতা নিজেই তার অপব্যবহারকারীকে গ্রাস করে। ইতিহাসের এক অমোঘ সত্য যখন কোনো দলের পতন ঘটে, তখন এই চাটুকাররাই সবার আগে ডিঙি নৌকা পরিবর্তন করে পালিয়ে যায়। আর ঘরে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া ত্যাগী কর্মীদের কিছুই করার থাকে না, কারণ ততক্ষণে দল তার মেরুদণ্ড হারিয়ে ফেলেছে।

শেষ কথা -ঃ​ রাজনীতির এই দেউলিয়া সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে যে কোনো দলের পতন অনিবার্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজপথ বনাম রাজপ্রাসাদ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

রাজপথের ত্যাগী- রাজপ্রাসাদ সুবিধা ভোগী -ঃ ত্যাগী কর্মীরা -আদর্শের টানে নিঃস্বার্থভাবে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে। মামলা-হামলা, জেল-জুলুম এবং জীবনের ঝুঁকি নেওয়া এদের নিয়তি। আর সুবিধাবাদী -চাটুকারা, ক্ষমতা আসার সাথে সাথে এরা ‘জি-হুজুর’ মন্ত্র নিয়ে হাজির হয়। এদের কোনো আদর্শ থাকে না, থাকে কেবল ক্ষমতার সুবাস নেওয়ার চাতুর্য।

শ্রেণী বৈষম্য ও রাজনীতির নির্মম পরিহাস -ঃ ​ক্ষমতা আসার সাথে সাথে এরা ‘জি-হুজুর’ মন্ত্র নিয়ে হাজির হয়। এদের কোনো আদর্শ থাকে না, থাকে কেবল ক্ষমতার সুবাস নেওয়ার চাতুর্য।

শাসকের অন্ধত্ব ও চাটুকারিতার দেওয়াল -ঃ​ক্ষমতায় বসার পর শাসকরা যে কৃত্রিম দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে পড়েন, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। চাটুকাররা রাজপ্রাসাদে এমন এক আবহ তৈরি করে যেখানে সত্য কথা পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে স্পষ্টভাষী ও আসল হিতাকাঙ্ক্ষীরা দূরে ছিটকে যায়।

ইতিহাসের নির্মাণ শিক্ষা -ঃ​”ক্ষমতা অপব্যবহারের সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো—একসময় ক্ষমতা নিজেই তার অপব্যবহারকারীকে গ্রাস করে। ইতিহাসের এক অমোঘ সত্য যখন কোনো দলের পতন ঘটে, তখন এই চাটুকাররাই সবার আগে ডিঙি নৌকা পরিবর্তন করে পালিয়ে যায়। আর ঘরে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া ত্যাগী কর্মীদের কিছুই করার থাকে না, কারণ ততক্ষণে দল তার মেরুদণ্ড হারিয়ে ফেলেছে।

শেষ কথা -ঃ​ রাজনীতির এই দেউলিয়া সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে যে কোনো দলের পতন অনিবার্য।