ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা বদলি, দায়িত্ব ছাড়ার সময়সীমা ২২ সেপ্টেম্বর ফুটপাতে পড়ে ছিল দুই অচেনা মানুষ, পরিচয়হীনভাবেই থেমে গেল জীবন টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি, হাসপাতাল পরিষ্কার করলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ মৃত্যু, হাম-উপসর্গে আক্রান্ত ১,৮৫৫ ব্রিকসে মোদির ১০ দফা রোডম্যাপ, গ্লোবাল সাউথকে নেতৃত্ব দিতে চায় ভারত সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেলেন ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯ জন জয়পুরহাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র-রামদা উদ্ধার, পালাল ডাকাত দল ২০২৮-এ নতুন কারিকুলাম, বদলাবে কি প্রাথমিক শিক্ষার চিত্র? নারীদের নির্বিঘ্ন চলাফেরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের বড় প্রাপ্তি: রিজভী

মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়

শহিদুল ইসলাম দইচ
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ১৫১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুবসমাজ, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ -ঃ আজকে সমাজে যে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা এবং মাদকের এত বিস্তার, তার মূল কারণ কিন্তু অর্থনৈতিক অভাবের চেয়েও বেশি নৈতিক বিপর্যয় ও অতিরিক্ত লোভ। ​মানুষ যখন রাতারাতি বড়লোক হতে চায় বা নিজের স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়, তখনই সে অপরাধের পথ বেছে নেয়। ​যুবসমাজকে এই অন্ধকার থেকে ফেরাতে হলে শুধু আইনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই; তাদের দিতে হবে সুস্থ সংস্কৃতি, নৈতিক শিক্ষা এবং এমন একটি পরিবেশ যেখানে সততার মূল্য আছে।

মুক্তির পথ ও নিঃস্বার্থ দায়িত্ববোধ -ঃ ​আমরা যদি অতিরিক্ত লোভ ত্যাগ করে যার যার জায়গায় নিজের দায়িত্বটুকু সততার সাথে পালন করি, তবে সমাজ থেকে অর্ধেক অপরাধ এমনিতেই ভ্যানিশ হয়ে যাবে। ​যখন ‘আমি’ এবং ‘আমার’ চেয়ে ‘আমাদের সমাজ’ বড় হয়ে উঠবে, তখনই প্রকৃত সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা পাবে।

আন্দোলনের প্রয়োজন। আইন ক্যাবল অপরাধের শাস্তি দিতে পারে।কিন্তু অপরাধ করার মানসিকতা দূর করতে পারে না

একটি চিরন্তন সত্য -ঃ রাষ্ট্র আইন দিয়ে শরীরকে বন্দী করতে পারে, মনকে নয়।

বাহিক শক্তি” আইন ‘-ঃ পুলিশ-আদালত বা কারাগার সাময়িকভাবে একটা অপরাধীকে থামাতে পারে, কিন্তু তার ভেতরের অপরাধ প্রবণতা বা হিংস্রতা দূর করতে পারে না

বিবেক হলো সবচেয়ে বড় আদালত -ঃ যার ভেতরের এই আদালত জাগ্রত, সে পৃথিবীর যেকোনো অন্ধকার কোণেই থাকুক না কেন, স্রেফ নিজের আত্মসম্মান এবং নৈতিকতার ভয়ে কোনো অপরাধ করতে পারবে না।​
প্রকৃত জ্ঞান -ঃআজকের দিনে আমরা জিপিএ-৫ বা বড় বড় ডিগ্রিকে ‘জ্ঞান’ বলে ভুল করছি। কিন্তু জ্ঞান কেবল তথ্য গিলে ফেলা নয়।


আলো বনাম অন্ধকার -ঃ প্রকৃত জ্ঞান মানুষের মনের সংকীর্ণতা, অহংকার এবং স্বার্থপরতা দূর করে।
প্রগতিশীল সমাজ -ঃ যখন একটা সমাজ কুসংস্কারমুক্ত হয়, তখনই সেখানে বৈষম্য কমে আসে। মানুষের এই ভেতরের চোখ বা ‘তৃতীয় নয়ন’ যখন খোলে, তখন সে কেবল নিজের অধিকার খোঁজে না, বরং অন্যের অধিকারের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হয়।


যুবসমাজ, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ -ঃ ​আজকে সমাজে যে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা এবং মাদকের এত বিস্তার, তার মূল কারণ কিন্তু অর্থনৈতিক অভাবের চেয়েও বেশি নৈতিক বিপর্যয় ও অতিরিক্ত লোভ। ​মানুষ যখন রাতারাতি বড়লোক হতে চায় বা নিজের স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়, তখনই সে অপরাধের পথ বেছে নেয়। ​যুবসমাজকে এই অন্ধকার থেকে ফেরাতে হলে শুধু আইনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই; তাদের দিতে হবে সুস্থ সংস্কৃতি, নৈতিক শিক্ষা এবং এমন একটি পরিবেশ যেখানে সততার মূল্য আছে।
সারসংক্ষেপ -ঃ অপরাধমুক্ত সমাজের চাবিকাঠি কোনো থানা বা আদালতের হাতুড়িতে নেই, এটি রয়েছে প্রতিটি মানুষের বুক পকেটে—তার জাগ্রত বিবেকের মধ্যে। আপনার এই গভীর ও মানবিক চিন্তাভাবনা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ পরিবর্তনের জন্য এমন চিন্তার বিস্তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

যুবসমাজ, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ -ঃ আজকে সমাজে যে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা এবং মাদকের এত বিস্তার, তার মূল কারণ কিন্তু অর্থনৈতিক অভাবের চেয়েও বেশি নৈতিক বিপর্যয় ও অতিরিক্ত লোভ। ​মানুষ যখন রাতারাতি বড়লোক হতে চায় বা নিজের স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়, তখনই সে অপরাধের পথ বেছে নেয়। ​যুবসমাজকে এই অন্ধকার থেকে ফেরাতে হলে শুধু আইনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই; তাদের দিতে হবে সুস্থ সংস্কৃতি, নৈতিক শিক্ষা এবং এমন একটি পরিবেশ যেখানে সততার মূল্য আছে।

মুক্তির পথ ও নিঃস্বার্থ দায়িত্ববোধ -ঃ ​আমরা যদি অতিরিক্ত লোভ ত্যাগ করে যার যার জায়গায় নিজের দায়িত্বটুকু সততার সাথে পালন করি, তবে সমাজ থেকে অর্ধেক অপরাধ এমনিতেই ভ্যানিশ হয়ে যাবে। ​যখন ‘আমি’ এবং ‘আমার’ চেয়ে ‘আমাদের সমাজ’ বড় হয়ে উঠবে, তখনই প্রকৃত সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা পাবে।

আন্দোলনের প্রয়োজন। আইন ক্যাবল অপরাধের শাস্তি দিতে পারে।কিন্তু অপরাধ করার মানসিকতা দূর করতে পারে না

একটি চিরন্তন সত্য -ঃ রাষ্ট্র আইন দিয়ে শরীরকে বন্দী করতে পারে, মনকে নয়।

বাহিক শক্তি” আইন ‘-ঃ পুলিশ-আদালত বা কারাগার সাময়িকভাবে একটা অপরাধীকে থামাতে পারে, কিন্তু তার ভেতরের অপরাধ প্রবণতা বা হিংস্রতা দূর করতে পারে না

বিবেক হলো সবচেয়ে বড় আদালত -ঃ যার ভেতরের এই আদালত জাগ্রত, সে পৃথিবীর যেকোনো অন্ধকার কোণেই থাকুক না কেন, স্রেফ নিজের আত্মসম্মান এবং নৈতিকতার ভয়ে কোনো অপরাধ করতে পারবে না।​
প্রকৃত জ্ঞান -ঃআজকের দিনে আমরা জিপিএ-৫ বা বড় বড় ডিগ্রিকে ‘জ্ঞান’ বলে ভুল করছি। কিন্তু জ্ঞান কেবল তথ্য গিলে ফেলা নয়।


আলো বনাম অন্ধকার -ঃ প্রকৃত জ্ঞান মানুষের মনের সংকীর্ণতা, অহংকার এবং স্বার্থপরতা দূর করে।
প্রগতিশীল সমাজ -ঃ যখন একটা সমাজ কুসংস্কারমুক্ত হয়, তখনই সেখানে বৈষম্য কমে আসে। মানুষের এই ভেতরের চোখ বা ‘তৃতীয় নয়ন’ যখন খোলে, তখন সে কেবল নিজের অধিকার খোঁজে না, বরং অন্যের অধিকারের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হয়।


যুবসমাজ, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ -ঃ ​আজকে সমাজে যে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা এবং মাদকের এত বিস্তার, তার মূল কারণ কিন্তু অর্থনৈতিক অভাবের চেয়েও বেশি নৈতিক বিপর্যয় ও অতিরিক্ত লোভ। ​মানুষ যখন রাতারাতি বড়লোক হতে চায় বা নিজের স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়, তখনই সে অপরাধের পথ বেছে নেয়। ​যুবসমাজকে এই অন্ধকার থেকে ফেরাতে হলে শুধু আইনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই; তাদের দিতে হবে সুস্থ সংস্কৃতি, নৈতিক শিক্ষা এবং এমন একটি পরিবেশ যেখানে সততার মূল্য আছে।
সারসংক্ষেপ -ঃ অপরাধমুক্ত সমাজের চাবিকাঠি কোনো থানা বা আদালতের হাতুড়িতে নেই, এটি রয়েছে প্রতিটি মানুষের বুক পকেটে—তার জাগ্রত বিবেকের মধ্যে। আপনার এই গভীর ও মানবিক চিন্তাভাবনা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ পরিবর্তনের জন্য এমন চিন্তার বিস্তার।