ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্দেশে দগ্ধদের খোঁজ নিলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি ‘২ কোটি রেডি রাখবেন’ হুমকির পরই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট বাড়ছে নদ-নদীর পানি, নতুন করে বন্যার শঙ্কা বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল ইজতেমা ময়দানে রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে বিপিসি চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান শেখ হাসিনাকে কারাগারে যেতেই হবে বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন বরিশালের সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড ও সবুজায়নের বার্তা, উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশায় বরিশাল

হিট লিস্টে ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ জন!

বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের একটি সংবাদপত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইউরোপের কয়েকজন শীর্ষ নেতার ছবি প্রকাশ করে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রকাশিত ওই তালিকাকে বিভিন্ন মহলে ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ বা ‘হিট লিস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পুত্র মোজতবা খামেনেই। সেইমতো এবার প্রক্রিয়া শুরু করল ইরান প্রশাসন! খামেনেই হত্যার সঙ্গে জড়িত বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তেহরান পুরসভা কর্তৃক প্রকাশিত ইরানের একটি সংবাদপত্রে। যেখানে আমেরিকা, ইজরায়েল-সহ ইউরোপের একাধিক দেশের শীর্ষ নেতাদের ছবি তুলে ধরে বলা হয়েছে, এই সব নেতারা খামেনেইয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

ইরানের তরফে প্রকাশিত বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানায় মোট ১৩ জন নেতার নাম ও ছবি রয়েছে। হিট লিস্টে যেসব নেতাদের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। এরপর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সেখানকার প্রতিরক্ষা দপ্তরের দুই শীর্ষ আধিকারিক ইজরায়েল কাটজ ও গিডিয়ন সারের নাম রয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ-সহ মোট ১৩ জন। তালিকায় প্রকাশিত নেতার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সরাসরি বন্দুকের নিশানায় দেখানো হয়েছে। অন্যদের দেখানো হয়েছে বন্দীর পোশাকে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইরানের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। সম্প্রতি তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। মহাসমারোহে রাষ্ট্রনেতাকে বিদায় জানানোর পর শত্রুদের বিরুদ্ধে কড়া সুরে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁর পুত্র মোজতবা। এক লিখিত বার্তায় তিনি জানান, ‘জাতির একটাই দাবি, তা হল প্রতিশোধ। প্রয়াত সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই।’ একইসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘কুখ্যাত অপরাধী ও হত্যাকারীদের দ্বারা যে সব নেতা শহিদ হয়েছেন, এই যুদ্ধে সকল শহিদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করছি। আমরা এখানে থাকি বা না থাকি, আমাদের এই লক্ষ্য অর্জিত হবেই, এবং শীঘ্রই বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতাকামীদের প্রত্যেকে এই ঐশ্বরিক অভিযানের অংশ হয়ে উঠবে।’

উল্লেখ্য, ইরানের উপর হামলার ঘটনায় আমেরিকা ও ইজরায়েল সরাসরি দায়ী হলেও, ইরানের দাবি এই যুদ্ধে পরোক্ষভাবে যুক্ত ইউরোপের একাধিক দেশ। তেহরানের অভিযোগ, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির মতো দেশগুলো শুধু ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানায়নি, বরং মার্কিন সামরিক বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে এই গুপ্তহত্যা ও হামলায় পরোক্ষভাবে লিপ্ত ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হিট লিস্টে ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ জন!

বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের একটি সংবাদপত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইউরোপের কয়েকজন শীর্ষ নেতার ছবি প্রকাশ করে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রকাশিত ওই তালিকাকে বিভিন্ন মহলে ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ বা ‘হিট লিস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পুত্র মোজতবা খামেনেই। সেইমতো এবার প্রক্রিয়া শুরু করল ইরান প্রশাসন! খামেনেই হত্যার সঙ্গে জড়িত বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তেহরান পুরসভা কর্তৃক প্রকাশিত ইরানের একটি সংবাদপত্রে। যেখানে আমেরিকা, ইজরায়েল-সহ ইউরোপের একাধিক দেশের শীর্ষ নেতাদের ছবি তুলে ধরে বলা হয়েছে, এই সব নেতারা খামেনেইয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

ইরানের তরফে প্রকাশিত বিশ্বনেতাদের মৃত্যু পরোয়ানায় মোট ১৩ জন নেতার নাম ও ছবি রয়েছে। হিট লিস্টে যেসব নেতাদের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। এরপর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সেখানকার প্রতিরক্ষা দপ্তরের দুই শীর্ষ আধিকারিক ইজরায়েল কাটজ ও গিডিয়ন সারের নাম রয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ-সহ মোট ১৩ জন। তালিকায় প্রকাশিত নেতার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সরাসরি বন্দুকের নিশানায় দেখানো হয়েছে। অন্যদের দেখানো হয়েছে বন্দীর পোশাকে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইরানের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। সম্প্রতি তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। মহাসমারোহে রাষ্ট্রনেতাকে বিদায় জানানোর পর শত্রুদের বিরুদ্ধে কড়া সুরে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁর পুত্র মোজতবা। এক লিখিত বার্তায় তিনি জানান, ‘জাতির একটাই দাবি, তা হল প্রতিশোধ। প্রয়াত সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই।’ একইসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘কুখ্যাত অপরাধী ও হত্যাকারীদের দ্বারা যে সব নেতা শহিদ হয়েছেন, এই যুদ্ধে সকল শহিদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করছি। আমরা এখানে থাকি বা না থাকি, আমাদের এই লক্ষ্য অর্জিত হবেই, এবং শীঘ্রই বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতাকামীদের প্রত্যেকে এই ঐশ্বরিক অভিযানের অংশ হয়ে উঠবে।’

উল্লেখ্য, ইরানের উপর হামলার ঘটনায় আমেরিকা ও ইজরায়েল সরাসরি দায়ী হলেও, ইরানের দাবি এই যুদ্ধে পরোক্ষভাবে যুক্ত ইউরোপের একাধিক দেশ। তেহরানের অভিযোগ, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির মতো দেশগুলো শুধু ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানায়নি, বরং মার্কিন সামরিক বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে এই গুপ্তহত্যা ও হামলায় পরোক্ষভাবে লিপ্ত ছিল।