যশোরে ২১ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কারে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে সরকারি অনুমোদন
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে
যশোর সদর উপজেলার ২১টি মসজিদ, মন্দির ও কবরস্থানের সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়নকাজের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গত ২০ মে যশোরের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জরুরি সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হলে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে যশোর সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এতে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের ধর্মীয় কার্যক্রম ও সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছিল।
অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কারবালা মসজিদ, হাটচান্নী জামে মসজিদ, টালিখোলা দাশপাড়া মন্দির, মাওলানা শাহ মো. আবুল খায়ের (রহ.) মসজিদ, হুশতলা মোড়ের মসজিদুল কোবা, বেজপাড়া তালতলা গোরস্থান, মানিকদিহি সর্দারপাড়া জামে মসজিদ, শুড়া দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ, শেখহাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ আরও কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।
এ ছাড়া ওসমানপুর সার্বজনীন পূজা মন্দির, চাঁচড়া বাজার মোড় জামে মসজিদ, ভেকুটিয়ার বায়তুন জামে মসজিদ, রাজারহাটের বায়তুল আমান জামে মসজিদ, ঝুমঝুমপুর পূর্বপাড়া কবরস্থান ও রূপদিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদও এই উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।
যশোর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। কাজ শেষ হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি স্থানীয় জনগণের উপাসনা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনাও আরও সহজ ও পরিবেশবান্ধব হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে যশোরের আরও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে জেলার ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোর সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




















