কোহিনূর হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল মেঘনা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
কোহিনূর হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল মেঘনার জনপথ। কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের চরবিনোদপুর ও আলীপুর এবং পার্শ্ববর্তী তিতাস উপজেলার নতুন বাটেরাচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভিটেমাটি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত কহিনূর আক্তার (৩৮) হত্যার প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আলীপুর বাজারে প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়কজুড়ে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে কয়েকশত নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তাঁরা কহিনূর আক্তার হত্যার বিচার, সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দুই উপজেলার সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান।
মানববন্ধন চলাকালে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে অংশগ্রহণকারীরা তাকে ঘিরে কহিনূর আক্তার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
পরে তিনি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং দুই উপজেলার সীমানা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে মেঘনার চরবিনোদপুর ও তিতাস উপজেলার নতুন বাটেরাচর গ্রামে সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, একটি টাউট চক্র পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে এখান থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে না। কারণ নিহত কহিনূর আক্তার রাজনীতি বোঝেন না। তিনি একজন নিরীহ পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি আরো বলেন মেঘনার এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা কাউকে ছাড় দেব না। নিয়ম অনুযায়ী মেঘনা যা পাওয়ার, তা নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম ও তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক এবং দুই উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চরবিনোদপুর ও আলীপুর এবং পার্শ্ববর্তী তিতাস উপজেলার নতুন বাটেরাচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে মেঘনার চরাঞ্চলের ভিটেমাটি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গলায় টেঁটা বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কহিনূর আক্তার (৩৮)। এ ঘটনায় উভয় গ্রামের অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।






















