ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ছয় মাসের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, বাদ পড়ছেন তিন মন্ত্রী! পাঁচ ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় বিএনপি বাংলাদেশ-মিয়ানমার বাণিজ্য সম্প্রসারণে জোর, সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আলোচনা এক বছরের শিশুর চোখের সামনে ভেঙে গেল পৃথিবী ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনার দাবি, ট্রাম্পকে ঘিরে জোর আলোচনা পুলিশ হবে জনবান্ধব, দলীয় প্রভাবমুক্ত ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজপথ নয়, সংসদেই হোক রাজনৈতিক লড়াই জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল: গোপালপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল সদর রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর

ছয় মাসের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, বাদ পড়ছেন তিন মন্ত্রী!

সুপন রায়
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের প্রস্তুতি চলছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর ভিত্তিতে অন্তত তিনজন পূর্ণ মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারির ওই বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ছয় মাস শেষে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এখন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স পর্যালোচনার কাজ শেষের পথে।

যাদের নাম আলোচনায়

সূত্রগুলোর দাবি, সম্ভাব্য পরিবর্তনের তালিকায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের নাম রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা আয়োজন এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের নামও সম্ভাব্য রদবদলের আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনার মুখে। বিশেষ করে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনকে নিয়ে তার মন্তব্য এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্য মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ছাড়া তদবির ও দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আরেকজন প্রভাবশালী পূর্ণমন্ত্রীও পরিবর্তনের তালিকায় থাকতে পারেন বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সম্ভাব্য রদবদলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেও একটি ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ভিডিওটিকে এআই-নির্মিত নয় বলে জানিয়েছে। বিষয়টি তাকে নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে।

এ ছাড়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক আলোচনা তৈরি হওয়ায় একজন প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রীকেও বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন নতুন মুখ

সম্ভাব্য রদবদলের পাশাপাশি নতুন কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে আনার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে বিএনপির সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, খন্দকার আবু আশফাক, নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. মজিবুর রহমানের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। টেকনোক্র্যাট কোটায়ও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি জোটের শরিক দল থেকেও নতুন সদস্য নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে মন্ত্রিসভার আকার কতটা পরিবর্তন হবে এবং শেষ পর্যন্ত কারা দায়িত্ব পাবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ব্যাপক রদবদলের পরিবর্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলনামূলক কম, তাদের সতর্ক করে দায়িত্বে বহাল রাখার নীতিও গ্রহণ করা হতে পারে।

সরকারের বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্দিষ্ট সময় পর মন্ত্রীদের কাজের মূল্যায়ন করা সরকারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বলেন, সরকারের কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করতে সময়ে সময়েই মন্ত্রিসভার মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা স্বাভাবিক বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক নুরুল আমিন বেপারীর মতে, প্রশাসনের গতি ও জবাবদিহি বাড়াতে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা যেকোনো সরকারের জন্য স্বাভাবিক পদক্ষেপ।

এদিকে রাষ্ট্রপতির শূন্যপদে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়েও শনিবার দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনায় থাকলেও দলের বাইরে থেকেও কাউকে রাষ্ট্রপতি করার বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি, সংসদের উপনেতা কিংবা সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন—সব ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছয় মাসের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, বাদ পড়ছেন তিন মন্ত্রী!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের প্রস্তুতি চলছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর ভিত্তিতে অন্তত তিনজন পূর্ণ মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারির ওই বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ছয় মাস শেষে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এখন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স পর্যালোচনার কাজ শেষের পথে।

যাদের নাম আলোচনায়

সূত্রগুলোর দাবি, সম্ভাব্য পরিবর্তনের তালিকায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের নাম রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা আয়োজন এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের নামও সম্ভাব্য রদবদলের আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনার মুখে। বিশেষ করে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনকে নিয়ে তার মন্তব্য এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্য মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ছাড়া তদবির ও দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আরেকজন প্রভাবশালী পূর্ণমন্ত্রীও পরিবর্তনের তালিকায় থাকতে পারেন বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সম্ভাব্য রদবদলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেও একটি ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ভিডিওটিকে এআই-নির্মিত নয় বলে জানিয়েছে। বিষয়টি তাকে নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে।

এ ছাড়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক আলোচনা তৈরি হওয়ায় একজন প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রীকেও বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন নতুন মুখ

সম্ভাব্য রদবদলের পাশাপাশি নতুন কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে আনার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে বিএনপির সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, খন্দকার আবু আশফাক, নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. মজিবুর রহমানের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। টেকনোক্র্যাট কোটায়ও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি জোটের শরিক দল থেকেও নতুন সদস্য নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে মন্ত্রিসভার আকার কতটা পরিবর্তন হবে এবং শেষ পর্যন্ত কারা দায়িত্ব পাবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ব্যাপক রদবদলের পরিবর্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলনামূলক কম, তাদের সতর্ক করে দায়িত্বে বহাল রাখার নীতিও গ্রহণ করা হতে পারে।

সরকারের বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্দিষ্ট সময় পর মন্ত্রীদের কাজের মূল্যায়ন করা সরকারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বলেন, সরকারের কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করতে সময়ে সময়েই মন্ত্রিসভার মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা স্বাভাবিক বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক নুরুল আমিন বেপারীর মতে, প্রশাসনের গতি ও জবাবদিহি বাড়াতে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা যেকোনো সরকারের জন্য স্বাভাবিক পদক্ষেপ।

এদিকে রাষ্ট্রপতির শূন্যপদে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়েও শনিবার দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনায় থাকলেও দলের বাইরে থেকেও কাউকে রাষ্ট্রপতি করার বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি, সংসদের উপনেতা কিংবা সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন—সব ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।