গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় প্রাচ্যসংঘ পরিবারের দুই সুহৃদকে স্মরণ করলেন বক্তারা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রাচ্যসংঘের উদ্যোগে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে সংগঠনের দুই সুহৃদ—আজীবন সদস্য ফিরোজা জামান মিনি এবং প্রাচ্য আকাদেমির সংগীত বিভাগের শিক্ষক সাঈদ আহমেদ অ্যাপোলোকে স্মরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে প্রাচ্যসংঘ যশোরের ওবায়দুল বারী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খবির উদ্দিন সুইট। স্মৃতিচারণ করেন বিশিষ্ট গবেষক, লেখক ও সাংবাদিক বেনজীন খান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রাচ্যসংঘের সুপ্রিম কাউন্সিল সদস্য ইকবাল আখতার টিয়া, আকসাদ আহম্মেদ সিদ্দিকী শৈবাল, কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম, মোর্তজা আহমেদ, সেলিম রেজা সেলিম, ফারহানা, মনিরুজ্জামান মনির, নিত্যানন্দ পাল, সাংবাদিক নূর ইসলাম, কবি কাজী শাহেদ নেওয়াজ, তাপস কুমার পাল, মশিয়ার রহমান ও অহনা সেলিম।
বক্তারা বলেন, মৃত্যু জীবনের অনিবার্য সত্য। তবে যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করেন, তারা কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকেন। আজ যাদের স্মরণ করা হচ্ছে, তারা সমাজের জন্য আত্মনিবেদিত ছিলেন এবং তাদের অবদান দীর্ঘদিন মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
ফিরোজা জামান মিনির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন অসাধারণ মানবিক গুণের অধিকারী। স্বেচ্ছাশ্রমে শিক্ষকতা করতেন এবং প্রতিবেশীদের সন্তানদেরও নিজের সন্তানের মতো স্নেহ করতেন। তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণ সবার কাছে তাঁকে অনন্য করে তুলেছিল। তাঁর মৃত্যুতে প্রাচ্যসংঘ হারিয়েছে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী, আর সমাজ হারিয়েছে একজন সত্যিকারের মানবিক মানুষকে।
সাঈদ আহমেদ অ্যাপোলো সম্পর্কে বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন দেশপ্রেমিক, সংগীতজ্ঞ ও কৃষিবিদ। অসুস্থ পিতার সেবার জন্য সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরি ছেড়ে যশোরেই থেকে গিয়েছিলেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে হাসিমুখে গ্রহণ করতেন এবং তাঁর বিনয়ী ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীল অবদান সকলের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই ফিরোজা জামান মিনি এবং ২৯ জুলাই সাঈদ আহমেদ অ্যাপোলো মৃত্যুবরণ করেন।
স্মরণসভা শেষে দুই মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।














