কচুরিপানা-মুক্ত হচ্ছে টাঙ্গাইলের ডিসি লেক, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডিসি লেককে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনামুক্ত করে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন করতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
উদ্বোধনের পর প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে লেক থেকে কচুরিপানা অপসারণে অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হন তিনি।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী ডিসি লেক পরিদর্শন করে লেকের পরিবেশ, পানির অবস্থা এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। পরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের সূচনা করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রয়োজন। তিনি বলেন, ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো লেক পরিষ্কার করা হবে এবং ডিসি লেককে কেন্দ্র করে একটি সুপরিকল্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিসি লেককে আধুনিক মিনি পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ডিসি লেকের পাশাপাশি আশপাশের চর এলাকাকেও বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইলে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি লেকে মাছ চাষের উদ্যোগও নেওয়া হবে, যাতে স্থানীয় মানুষ সরাসরি উপকৃত হন।
ভবিষ্যতে যাতে লেকে আবার কচুরিপানা ও বর্জ্য জমতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লেকের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
























