ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাইয়ে দেশে এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এতিমখানার অর্থ আত্মসাৎ, মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে পোস্টারিং টাঙ্গাইলে অনিয়মের দায়ে ৪ ক্লিনিক-হাসপাতালকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি, তিন ফার্মেসিকে জরিমানা তথ্য বিভ্রাট ও অপতথ্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ছয় মাসের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, বাদ পড়ছেন তিন মন্ত্রী! পাঁচ ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় বিএনপি বাংলাদেশ-মিয়ানমার বাণিজ্য সম্প্রসারণে জোর, সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আলোচনা

এতিমখানার অর্থ আত্মসাৎ, মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে পোস্টারিং

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। পোস্টারে অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত মুহতামিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বার্থী নুরানী হাফেজী ও কওমী মাদ্রাসা এবং এতিমখানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার দেখা যায়। সেখানে সরকারি এতিম ভাতা আত্মসাৎ, বিদেশি অনুদানের অর্থের অনিয়ম, মিথ্যা তথ্য দিয়ে শিক্ষার্থী ও এতিমের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোসহ নানা অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টারে দাবি করা হয়, সরকারি বরাদ্দ ও বিদেশি অনুদানের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া এতিম শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। পোস্টারে আরও কয়েকটি ব্যক্তিগত অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত মুহতামিম আমিনুল ইসলাম এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এগুলো পুরোনো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও একই ধরনের পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সে সময় সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এতিমখানায় ৪৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অতীতে এ সংখ্যা ২৪ জন ছিল। নিজের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। সুদের ব্যবসা বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানান।

এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তার দপ্তরে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে সরেজমিন তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এতিমখানার অর্থ আত্মসাৎ, মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে পোস্টারিং

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। পোস্টারে অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত মুহতামিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বার্থী নুরানী হাফেজী ও কওমী মাদ্রাসা এবং এতিমখানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার দেখা যায়। সেখানে সরকারি এতিম ভাতা আত্মসাৎ, বিদেশি অনুদানের অর্থের অনিয়ম, মিথ্যা তথ্য দিয়ে শিক্ষার্থী ও এতিমের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোসহ নানা অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টারে দাবি করা হয়, সরকারি বরাদ্দ ও বিদেশি অনুদানের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া এতিম শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। পোস্টারে আরও কয়েকটি ব্যক্তিগত অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত মুহতামিম আমিনুল ইসলাম এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এগুলো পুরোনো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও একই ধরনের পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সে সময় সমাজসেবা অধিদপ্তর তদন্ত করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এতিমখানায় ৪৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অতীতে এ সংখ্যা ২৪ জন ছিল। নিজের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। সুদের ব্যবসা বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানান।

এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তার দপ্তরে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে সরেজমিন তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।