গবেষণা ও ভবিষ্যতের কম্পিউটিং নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে গবেষণা, প্রযুক্তি ও কম্পিউটিংয়ের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞরা।
BRAC University–এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই রিসার্চ ডে-তে মূল লক্ষ্য ছিল গবেষণাকে আন্তঃবিষয়ক ক্ষেত্রে যুক্ত করা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনা, বিশেষজ্ঞ সেশন ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বায়োইনফরমেটিকস, কম্পিউটার ভিশন, রোবোটিকস, ব্লকচেইন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার সিকিউরিটি এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন আধুনিক গবেষণা ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়।
দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত ইন্টারডিসিপ্লিনারি গবেষণা বিষয়ক সেশনে বক্তারা বলেন, কম্পিউটার সায়েন্সের টুলস কীভাবে জনস্বাস্থ্য, বায়োটেকনোলজি ও ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন খাতে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে কাজ বাড়ানো প্রয়োজন।
আলাদা একটি সেশনে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা, ইন্টার্নশিপ, প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং একাডেমিক কাজকে পেশাগত পোর্টফোলিওতে রূপান্তরের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সমস্যা সমাধান ও ইঞ্জিনিয়ারিং চিন্তাধারার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
অন্যান্য সেশনে শিক্ষার্থীরা ভাষা প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, মানবকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি এবং বায়োলজিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণসহ চলমান গবেষণার দিকগুলো সম্পর্কে ধারণা পান।
হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন ও আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট ট্র্যাকের অধীনে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা ও গবেষণা ধারণা তৈরি নিয়ে হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
দিনের শেষ ভাগে অনুষ্ঠিত এআই ও মেশিন লার্নিং সেশনে বর্তমান গবেষণার প্রবণতা এবং শিল্পখাতে এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ প্রদান করেন। তিনি বলেন, গবেষণাকে এমনভাবে এগিয়ে নিতে হবে যাতে তা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রি পেশাজীবীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. সাদিয়া হামিদ কাজী। এছাড়াও ছিলেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের প্রফেসর এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর ড. মলয় কান্তি মৃধা; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. স্বাক্ষর শতাব্দ; প্রফেসর ড. তাইয়েবুল হক; প্রফেসর ড. ফরিদা চৌধুরী; প্রফেসর ড. মো. সাদেক ফেরদৌস; অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন; এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ফারিগ ইউসুফ সাদেক।
ইন্ডাস্ট্রির পেশাজীবীদের মধ্যে বক্তব্য দেন গ্রামীণফোনের প্রজেক্ট ম্যানেজার হাবিব আল সাকি, টাইগারআইটি বাংলাদেশ লিমিটেডের সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট জোবায়ের হাসান এবং ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম।

























