ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

৬০ বছর পর বাবার কবর স্থানান্তর করলেন ছেলেরা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লক্ষ্মীপুরে প্রায় ৬০ বছর আগে দাফন করা বাবার কবর স্থানান্তর করেছেন তাঁর ছেলেরা। প্রতিবেশীর জমিতে কবরটি পড়েছেএমন দাবি ওঠার পর কাগজপত্র প্রস্তুত করে কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।রোববার (১ নভেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহ এমপি বাড়িতে (বড় বাড়ি) এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতাযুদ্ধের আগে মারা যান ওই বাড়ির বাসিন্দা হাফেজ আনসার আলী। সে সময় বাড়ির পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। প্রায় ৬০ বছর পর প্রতিবেশী নয়ন বেগম কবরের জায়গাটি নিজেদের বলে দাবি করেন। পরে হাফেজ আনসার আলীর ছেলে সাহাবুদ্দিন বড় মিয়া ও হোসেন আহম্মদ কবরটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।

হাফেজ আনসার আলীর ছেলে হোসেন আহম্মদ বলেন, ‘বাবাকে দাফন করার সময় এত কিছু ভাবা হয়নি। এখন আমরা জানতে পেরেছি, জায়গাটি প্রতিবেশী নয়ন বেগমের। তিনি বিষয়টি জানানোর পর আমরা সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি। আজ কবরটি স্থানান্তর করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৬০ বছর পর বাবার কবর স্থানান্তর করলেন ছেলেরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে প্রায় ৬০ বছর আগে দাফন করা বাবার কবর স্থানান্তর করেছেন তাঁর ছেলেরা। প্রতিবেশীর জমিতে কবরটি পড়েছেএমন দাবি ওঠার পর কাগজপত্র প্রস্তুত করে কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।রোববার (১ নভেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহ এমপি বাড়িতে (বড় বাড়ি) এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতাযুদ্ধের আগে মারা যান ওই বাড়ির বাসিন্দা হাফেজ আনসার আলী। সে সময় বাড়ির পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। প্রায় ৬০ বছর পর প্রতিবেশী নয়ন বেগম কবরের জায়গাটি নিজেদের বলে দাবি করেন। পরে হাফেজ আনসার আলীর ছেলে সাহাবুদ্দিন বড় মিয়া ও হোসেন আহম্মদ কবরটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।

হাফেজ আনসার আলীর ছেলে হোসেন আহম্মদ বলেন, ‘বাবাকে দাফন করার সময় এত কিছু ভাবা হয়নি। এখন আমরা জানতে পেরেছি, জায়গাটি প্রতিবেশী নয়ন বেগমের। তিনি বিষয়টি জানানোর পর আমরা সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি। আজ কবরটি স্থানান্তর করছি।