চন্ডীপুলে সিএনজি অটোরিকশায় বাড়তি ভাড়া আদায়, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
সিলেট নগরের অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশপথ দক্ষিণ সুরমার চন্ডীপুল। প্রতিদিন এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করেন হাজারো মানুষ। তবে চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অটোরিকশার চালকদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায় ও যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, চন্ডীপুল থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত অটোরিকশার নির্ধারিত ভাড়া ৩০ টাকা। কিন্তু যানজটসহ নানা অজুহাতে চালকেরা এখন যাত্রীপ্রতি ৪০ টাকা আদায় করছেন। একইভাবে চন্ডীপুল থেকে বন্দরবাজার পর্যন্ত নিয়মিত ভাড়া ২৫ টাকা হলেও নেওয়া হচ্ছে ৩০ টাকা।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, চালকেরা নিজেদের সিদ্ধান্তে বাড়তি ভাড়া নির্ধারণ করে তা আদায় করছেন। কোনো যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া দিতে চাইলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি বেশি ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
যাত্রীদের দাবি, কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই চালকদের একটি অংশ সমন্বিতভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেও সাধারণ যাত্রীদের চালকদের বিরূপ আচরণের মুখে পড়তে হচ্ছে।
চন্ডীপুল থেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অসুস্থ রোগী, চিকিৎসা নিতে আসা মানুষ এবং তাঁদের স্বজনেরা। জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে যেতে গিয়ে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাঁদের।
যাত্রীদের মতে, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কারণে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের দৈনিক ব্যয়ও বাড়ছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ ও রোগীদের স্বজনদের জন্য এই বাড়তি খরচ বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান যাত্রীরা
এ পরিস্থিতি বন্ধে দক্ষিণ সুরমা থানা-পুলিশ ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের দাবি, অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ ও আদায়ের বিষয়টি তদারকির পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান চালানো প্রয়োজন।
যাত্রীদের মতে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হলে বাড়তি ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতে পারে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে চন্ডীপুল এলাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
তবে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা, বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ এবং চালকদের বক্তব্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
















