ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে আসছে নীতিমালা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন সড়কে এসব যান চলতে পারবে, কতটুকু এলাকায় চলাচলের অনুমতি থাকবে এবং যানবাহনের মান কেমন হতে হবে—নীতিমালায় এসব বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
যানজটের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা হলেও একই সঙ্গে তৈরি হয়েছে নানা সমস্যা।
বিশেষ করে যানজট, চালকদের প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং এসব যানবাহনের কারিগরি নিরাপত্তা ও মান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
তাঁর মতে, ব্যাটারিচালিত রিকশা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া নয়, বরং কোথায় ও কীভাবে এগুলো চলবে—সে বিষয়ে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো তৈরি করাই এখন সরকারের লক্ষ্য।
কোথায় কতটা চলবে, ঠিক করবে নীতিমালা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার খুব দ্রুত নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এতে নির্ধারণ করা হবে—
কোন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে;
কোন সড়কে তাদের চলাচল সীমিত বা নিষিদ্ধ থাকবে;
কতটুকু এলাকায় এসব যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে;
যানবাহনের কারিগরি ও নিরাপত্তাগত মান কী হবে।
নীতিমালা কার্যকর হলে ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে আরও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মৎস্য খাতেও বাংলাদেশের অগ্রগতি
সংবাদ সম্মেলনে দেশের মৎস্য খাতের অগ্রগতিও তুলে ধরেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর জর্জ ইনস্টিটিউট স্টেডিয়ামে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪ জন মৎস্য পেশাজীবী, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পদক দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কৃষির বিভিন্ন খাতে দেশের যে অগ্রগতি হয়েছে, তার মধ্যে মৎস্য খাতও অন্যতম উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র।




















