৪৪তম বিসিএস: ২৭ প্রার্থীর নন-ক্যাডার নিয়োগে হাইকোর্টের রুল

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
৪৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৭ জন প্রার্থীর ইন্সট্রাক্টর (বাংলা) ও ইন্সট্রাক্টর (ইংরেজি) পদে নন-ক্যাডার সুপারিশ বাতিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে সুপারিশ বাতিল হওয়া ওই ২৭ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক সরকারের অধিযাচিত নন-ক্যাডার পদে কেন নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ আগস্ট ২০২৬) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২৭ জন নন-ক্যাডার প্রার্থীর পক্ষে রিট দায়ের করা হয়। রিটে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান, সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মাকসুদুর রহমান এবং মারুফ হাসান তমাল।
রিট আবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীরা ৪৪তম বিসিএসের সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ইন্সট্রাক্টর পদে নবম গ্রেডে পিএসসি কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে নিয়োগ বিধি অনুযায়ী বিএড ডিগ্রি না থাকায় পরবর্তীতে তাদের সুপারিশ বাতিল করে দেয় পিএসসি। আবেদনকারীরা যেহেতু সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পাওয়ার যোগ্য, সেহেতু তাদেরকে অন্য কোনো নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, পিএসসির নিজস্ব অনলাইন সিস্টেমে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ইন্সট্রাক্টর (বাংলা) ও ইন্সট্রাক্টর (ইংরেজি) পদকে উপযুক্ত পদ হিসেবে প্রদর্শন করা হয় এবং প্রার্থীরা তাদের পছন্দক্রমে ওই পদগুলো উল্লেখ করেন। এর ভিত্তিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তাদের অস্থায়ীভাবে সুপারিশ করা হয়। তবে পরবর্তীতে গত ২০ মে কোনো শোকজ নোটিশ প্রদান বা শুনানির সুযোগ না দিয়েই পিএসসি ওই সুপারিশ বাতিল করে। সুপারিশ বাতিলের কারণ হিসেবে প্রার্থীদের বিএড ডিগ্রি না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
রিটে বলা হয়, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) ও সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে অনুরূপ পরিস্থিতিতে থাকা কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে পিএসসি সুপারিশ বাতিল না করে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্থগিত রেখেছে। অথচ আবেদনকারী ২৭ জনের ক্ষেত্রে কোনো শোকজ বা শুনানির সুযোগ না দিয়ে সুপারিশ বাতিল করা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক ও আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।



















