ফ্যামিলি কার্ডের মূল কার্যক্রম শুরু ১৬ আগস্ট

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
পাইলট প্রকল্পের পর এবার সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ থেকে প্রথম ধাপের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, ১৬ আগস্ট (রোববার) বিকেল সাড়ে ৩টায় কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পুরোনো স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডকে প্রথম ধাপের কার্যক্রমের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১০ জন নারী পরিবারপ্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেবেন। পরে ‘দ্য ডিজিটাল ক্লিক’-এর মাধ্যমে তাঁদের ফ্যামিলি কার্ডের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের পর উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলোকে সঠিকভাবে শনাক্ত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে তাদের সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করা।
একাধিক ধাপে যাচাই হবে তথ্য
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য উপকারভোগী নির্বাচন ও তাঁদের তথ্য যাচাইয়ে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত একাধিক কমিটি কাজ করবে।
ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এসব তথ্য যাচাই করবে। এ কমিটিতে আইসিটি ও পরিসংখ্যান কর্মকর্তারাও থাকবেন।
জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে। জাতীয় পর্যায়ে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
সরকারের লক্ষ্য, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া।




















