জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করাই শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্র আরও শক্তিশালী হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষকে অভাব-অনটনের মধ্যে রেখে কিংবা তাদের কণ্ঠরোধ করে কোনো রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। দেশের মানুষকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতাও নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতি সহায়তা দেবে।
তিনি বলেন, প্রকৃত উদ্যোক্তারা সহযোগিতা পেলে একদিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে মানুষের জীবনযাত্রায় স্থিতিশীলতা আসবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে সবাই এখন যে অবস্থায় আছে, তার থেকে ভালো থাকবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।’
বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে—সরকার সেটি চায়। তবে একই সঙ্গে দেশের নিজস্ব বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে হবে। ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের নীতি সহায়তা প্রয়োজন, তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
সরকারের নীতির মূল লক্ষ্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল লিজ নেওয়া দুটি ব্যবসায়ী গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো সফলভাবে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এবং হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা বক্তব্য দেন।
এ সময় বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি) এবং লিজ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।



















