ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অসহায় মানুষের জন্য ‘শ্যামল বাংলা ফ্রি মেডিকেল সেন্টার’ চালু ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন ১৪ মার্চ শুরু ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা, শেষ ১৫ এপ্রিল ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের উপবৃত্তি পুনর্বহালের উদ্যোগ মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে নতুন নিয়ম, মানতে হবে ৮ ধাপ বিদ্যালয় আছে, শিক্ষক নেই—টাঙ্গাইলে শূন্য ১,৪৫৯ পদ আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দখল, বিএনপি নেতা বহিষ্কার পীরস্থানের জমি দখলের অভিযোগ, কবর ও ঘর ভাঙচুরের দাবি; থানায় অভিযোগ প্রান্তিক মানুষের ভোগান্তি কমাতে দাউদপুরে ‘মিনি উপজেলা’ সড়কে নজরদারির নতুন চোখ, আরও ৫০ পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

অনুমোদন আইনের খসড়া

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে এপিবিএনের সদস্যরা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। বর্তমানে এপিবিএনের দায়িত্বের বাইরে থাকা এই ক্ষমতা আইনি কাঠামোর মাধ্যমে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সন্ত্রাস, মাদক ও মানবপাচারেও বাড়ছে ভূমিকা

প্রস্তাবিত আইনে শুধু তদন্ত নয়, এপিবিএনের দায়িত্ব ও ক্ষমতার পরিধিও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভিআইপি ও সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার দায়িত্বও এপিবিএনের ওপর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

থাকছে বিশেষ ও সংক্ষিপ্ত আদালতের বিধান

খসড়া আইন অনুযায়ী, এপিবিএন পরিচালিত হবে পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে।

প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং এসব আদালতে বিচার পরিচালনার পদ্ধতি সংক্রান্ত বিধান রাখার কথাও বলা হয়েছে।

নতুন আইন কার্যকর হলে বর্তমানে প্রচলিত ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ রহিত হবে।

এদিকে প্রস্তাবিত আইনটি চূড়ান্ত করার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ জন্য খসড়াটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ফলে আইনটি কার্যকর হলে এপিবিএনের ভূমিকা শুধু নিরাপত্তা ও সহায়ক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও আরও বিস্তৃত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অনুমোদন আইনের খসড়া

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে এপিবিএনের সদস্যরা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। বর্তমানে এপিবিএনের দায়িত্বের বাইরে থাকা এই ক্ষমতা আইনি কাঠামোর মাধ্যমে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সন্ত্রাস, মাদক ও মানবপাচারেও বাড়ছে ভূমিকা

প্রস্তাবিত আইনে শুধু তদন্ত নয়, এপিবিএনের দায়িত্ব ও ক্ষমতার পরিধিও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভিআইপি ও সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার দায়িত্বও এপিবিএনের ওপর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

থাকছে বিশেষ ও সংক্ষিপ্ত আদালতের বিধান

খসড়া আইন অনুযায়ী, এপিবিএন পরিচালিত হবে পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে।

প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং এসব আদালতে বিচার পরিচালনার পদ্ধতি সংক্রান্ত বিধান রাখার কথাও বলা হয়েছে।

নতুন আইন কার্যকর হলে বর্তমানে প্রচলিত ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ রহিত হবে।

এদিকে প্রস্তাবিত আইনটি চূড়ান্ত করার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ জন্য খসড়াটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ফলে আইনটি কার্যকর হলে এপিবিএনের ভূমিকা শুধু নিরাপত্তা ও সহায়ক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও আরও বিস্তৃত হবে।