‘কারও মুখ বন্ধ করার মানসিকতা নেই, গণমাধ্যম গণতন্ত্রের আরেক স্তম্ভ’

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৫২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
গণমাধ্যমের সমালোচনাকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, কাউকে বন্ধ করা বা থামিয়ে রাখার মানসিকতা সরকারের নেই। বরং গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করে সরকার।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। কাউকে বন্ধ করার, কাউকে থামিয়ে রাখার কোনো মানসিকতা আমাদের নেই।’ সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও গত ছয় মাসে এমন কোনো মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
‘সমালোচনা শোনার মানসিকতা ছিল না’
গত ১৭ বছরের সঙ্গে বর্তমান সময়ের পার্থক্য তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারে সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা দেখা যায়নি। তবে গত ছয় মাসে তাঁর মন্ত্রণালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো নির্দেশনা বা মানসিকতার প্রকাশ ঘটেনি।
তিনি বলেন, ‘১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি, সমালোচনা শোনার মানসিকতা ছিল না। গত ছয় মাসে আমাদের তরফ থেকে এবং প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা বা মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ আপনারা দেখতে পাননি।’
‘আপনারা আছেন বলেই আমরা এখানে’
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বৈঠকেই গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ না করার অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন বলে জানান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, তথ্যমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা কাউকে নিয়ন্ত্রণ করব না, আমরা কারও মুখ বন্ধ করে দেব না।’
গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা আছেন তাই আমরা এখানে আছি। আমরা আছি তাই আপনারা আছেন।’
বিটিভিকে নিজেদের প্রচার কমানোর অনুরোধ
সরকারি গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সঙ্গেও দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে কথা বলেছেন বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিটিভির সঙ্গে কথা বলার সময় সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম অনুরোধ ছিল—সরকার বা মন্ত্রীদের ছবি ও প্রচার যেন যতটা সম্ভব কম দেখানো হয়।
সরকারের কাজের প্রচারের চেয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের কাছে বাস্তব চিত্র তুলে ধরাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাই এ বক্তব্যে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি।




















