ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারির শাস্তি, নিষিদ্ধ মেসির চার সতীর্থ-কোচ ৩৩৫ কোটির দুর্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিংয়ে হাঁটতেই লাগে সাড়ে ৪ মিনিট নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর চূড়ান্ত, কে কোন মন্ত্রণালয়ে শেখ হাসিনা ইস্যুতে আটকে গেলে ক্ষতি বাংলাদেশেরই সত্য ও জনগণের রাজনৈতিক স্পৃহাকে চিরতরে দমিয়ে রাখা যায় না: তথ্যমন্ত্রী লন্ডনে পৌঁছাতেই ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা রদবদল, নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, বঙ্গভবনে শপথ মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ, একাধিক মন্ত্রণালয়ে রদবদলের আভাস জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

৩৩৫ কোটির দুর্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিংয়ে হাঁটতেই লাগে সাড়ে ৪ মিনিট

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গের নতুন ঠিকানা এবার আয়ারল্যান্ডের এক ঐতিহাসিক দুর্গ। স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থে দুর্গটি কিনেছেন তিনি বলে খবর।

শুধু দুর্গই নয়, এর সঙ্গে রয়েছে বিশাল ৪৪০ একরের এস্টেট। উনবিংশ শতাব্দীর গথিক স্থাপত্যের এই দুর্গের নাম স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই প্রাসাদোপম বাড়ির আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট।

রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরেই লাগে সাড়ে ৪ মিনিট!

জুকারবার্গের নতুন এই বাড়ির আকারের ধারণা পাওয়া যায় একটি মজার তথ্য থেকেই। দুর্গটির রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে যেতে দ্রুত হাঁটলেও সময় লাগে প্রায় সাড়ে চার মিনিট!

ব্ল্যাকওয়াটার ভ্যালির নদী ও সবুজে ঘেরা দুর্গটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক, অন্যদিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাতেও সমৃদ্ধ। গত দুই দশকে আগের মালিকরা দুর্গটির ব্যাপক সংস্কার করেছেন। ফলে পুরোনো স্থাপত্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া।

১৮৩০-এর দশকে নির্মিত

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে নির্মিত। জানা যায়, প্রায় ১৮৩০ সালের দিকে সাবেক টোরি এমপি জন কেইলির জন্য দুর্গটি তৈরি করা হয়েছিল।

ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে অবস্থিত দুর্গটির চারপাশের পরিবেশও বেশ মনোরম। বিস্তৃত সবুজ, নদী আর নিরিবিলি পরিবেশ মিলিয়ে এটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত অবকাশযাপনের জন্য আদর্শ একটি স্থান।

নিয়মিত থাকবেন না জুকারবার্গ

দুর্গটি কিনলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা নেই জুকারবার্গের। যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর মূল বাসস্থান। আয়ারল্যান্ডে সফরের সময় এই দুর্গে অবস্থান করবেন তিনি।

দুর্গটি ডাবলিনে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর ২০০৯ সাল থেকেই আয়ারল্যান্ডে। ফলে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে দেশটিতে জুকারবার্গের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে।

‘আইরিশ টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান কয়েক সপ্তাহ আগেই ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তির মাধ্যমে দুর্গটি কিনেছেন বলে জানা গেছে। তবে আয়ারল্যান্ডের প্রপার্টি প্রাইস রেজিস্টারে এখনো লেনদেনটির তথ্য প্রকাশিত হয়নি। দুর্গটির সুনির্দিষ্ট ক্রয়মূল্যও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে বাজারমূল্য সম্পর্কে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলের দাম ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে হতে পারে।

প্রাচীন গথিক স্থাপত্য, বিশাল এস্টেট, নদীঘেরা সবুজ প্রকৃতি আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মিশেলে জুকারবার্গের নতুন এই আবাসন ইতিমধ্যেই বিশ্বের নজর কেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩৩৫ কোটির দুর্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিংয়ে হাঁটতেই লাগে সাড়ে ৪ মিনিট

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গের নতুন ঠিকানা এবার আয়ারল্যান্ডের এক ঐতিহাসিক দুর্গ। স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থে দুর্গটি কিনেছেন তিনি বলে খবর।

শুধু দুর্গই নয়, এর সঙ্গে রয়েছে বিশাল ৪৪০ একরের এস্টেট। উনবিংশ শতাব্দীর গথিক স্থাপত্যের এই দুর্গের নাম স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই প্রাসাদোপম বাড়ির আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট।

রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরেই লাগে সাড়ে ৪ মিনিট!

জুকারবার্গের নতুন এই বাড়ির আকারের ধারণা পাওয়া যায় একটি মজার তথ্য থেকেই। দুর্গটির রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে যেতে দ্রুত হাঁটলেও সময় লাগে প্রায় সাড়ে চার মিনিট!

ব্ল্যাকওয়াটার ভ্যালির নদী ও সবুজে ঘেরা দুর্গটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক, অন্যদিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাতেও সমৃদ্ধ। গত দুই দশকে আগের মালিকরা দুর্গটির ব্যাপক সংস্কার করেছেন। ফলে পুরোনো স্থাপত্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া।

১৮৩০-এর দশকে নির্মিত

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে নির্মিত। জানা যায়, প্রায় ১৮৩০ সালের দিকে সাবেক টোরি এমপি জন কেইলির জন্য দুর্গটি তৈরি করা হয়েছিল।

ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে অবস্থিত দুর্গটির চারপাশের পরিবেশও বেশ মনোরম। বিস্তৃত সবুজ, নদী আর নিরিবিলি পরিবেশ মিলিয়ে এটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত অবকাশযাপনের জন্য আদর্শ একটি স্থান।

নিয়মিত থাকবেন না জুকারবার্গ

দুর্গটি কিনলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা নেই জুকারবার্গের। যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর মূল বাসস্থান। আয়ারল্যান্ডে সফরের সময় এই দুর্গে অবস্থান করবেন তিনি।

দুর্গটি ডাবলিনে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর ২০০৯ সাল থেকেই আয়ারল্যান্ডে। ফলে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে দেশটিতে জুকারবার্গের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে।

‘আইরিশ টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান কয়েক সপ্তাহ আগেই ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তির মাধ্যমে দুর্গটি কিনেছেন বলে জানা গেছে। তবে আয়ারল্যান্ডের প্রপার্টি প্রাইস রেজিস্টারে এখনো লেনদেনটির তথ্য প্রকাশিত হয়নি। দুর্গটির সুনির্দিষ্ট ক্রয়মূল্যও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে বাজারমূল্য সম্পর্কে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলের দাম ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে হতে পারে।

প্রাচীন গথিক স্থাপত্য, বিশাল এস্টেট, নদীঘেরা সবুজ প্রকৃতি আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মিশেলে জুকারবার্গের নতুন এই আবাসন ইতিমধ্যেই বিশ্বের নজর কেড়েছে।