মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ, একাধিক মন্ত্রণালয়ে রদবদলের আভাস

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন নতুন সদস্য। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে তাঁদের শপথ পড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নতুন করে মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
নতুন চার সদস্যের অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রদবদলের সম্ভাবনাও রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, বিমান, কৃষি, খাদ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্থানীয় সরকার এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসতে পারে।
রাষ্ট্রপতির শপথ ঘিরে বঙ্গভবনে প্রস্তুতি
এদিকে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনের দরবার হলে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানের সব আয়োজন শেষ হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২০০-এর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হবে শপথ অনুষ্ঠান।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দরবার হলে প্রবেশের পর জাতীয় সংগীত ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর স্পিকার শপথ পরিচালনা করবেন।
৩৫ বছর পর একাধিক প্রার্থীর ভোটে রাষ্ট্রপতি
এর আগে গত ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর শুরু হয় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট। এতে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।
৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ভোট গণনা শেষে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন ফল ঘোষণা করেন। পরে রাতে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোট হয়েছিল। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও একাধিক প্রার্থী নিয়ে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ঘটল।






















