ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হলো আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের প্রতিবাদ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর টাক ঢাকতে হেয়ার প্যাচ কতটা নিরাপদ? ভুল ব্যবহারে বাড়তে পারে চুল পড়া শিগগিরই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় একাধিক নেতা আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক খালেদা জিয়া: রাজপথ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় দীর্ঘ পথচলা আরও বড় পরিসরে চালু হবে যশোর শিশু হাসপাতাল: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত Billions at Stake, Work Left Unfinished: Questions Surround Transrail and Amrik Singh হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই উধাও ট্রান্সরেল ও অমৃক সিং?

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের প্রতিবাদ

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এবং ডিইপিটিসি (DEPTC)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জেরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটিকে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুর রহিমের অভিযোগ, তাঁর পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং সম্ভাব্য পদোন্নতির পথ বাধাগ্রস্ত করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীও প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দীর্ঘ কর্মজীবনে আব্দুর রহিম সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অনিয়ম ও অসাধু কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি মহল তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, সেই মহলই সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে প্রতিবেদনটি প্রকাশে ভূমিকা রেখেছে।

তেল চুরি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উদ্ধারকারী জাহাজের তেল চুরি, ভুয়া বিল-ভাউচার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আব্দুর রহিমের পক্ষের সংশ্লিষ্টরা।

বিআইডব্লিউটিএর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, একজন অতিরিক্ত পরিচালকের দাপ্তরিক ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সীমা বিবেচনা না করেই তাঁর বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলোর পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

‘তথ্য যাচাই করেই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত’

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মো. আব্দুর রহিম বলেন, তিনি কর্মজীবনের শুরু থেকেই সরকারি বিধিবিধান মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, সত্য উদঘাটনে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে তিনি সবসময় স্বাগত জানান। তবে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করা হয়নি, বিআইডব্লিউটিএর সুনামও প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের প্রতিবাদ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এবং ডিইপিটিসি (DEPTC)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জেরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটিকে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুর রহিমের অভিযোগ, তাঁর পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং সম্ভাব্য পদোন্নতির পথ বাধাগ্রস্ত করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীও প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দীর্ঘ কর্মজীবনে আব্দুর রহিম সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অনিয়ম ও অসাধু কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি মহল তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, সেই মহলই সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে প্রতিবেদনটি প্রকাশে ভূমিকা রেখেছে।

তেল চুরি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উদ্ধারকারী জাহাজের তেল চুরি, ভুয়া বিল-ভাউচার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আব্দুর রহিমের পক্ষের সংশ্লিষ্টরা।

বিআইডব্লিউটিএর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, একজন অতিরিক্ত পরিচালকের দাপ্তরিক ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সীমা বিবেচনা না করেই তাঁর বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলোর পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

‘তথ্য যাচাই করেই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত’

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মো. আব্দুর রহিম বলেন, তিনি কর্মজীবনের শুরু থেকেই সরকারি বিধিবিধান মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, সত্য উদঘাটনে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে তিনি সবসময় স্বাগত জানান। তবে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করা হয়নি, বিআইডব্লিউটিএর সুনামও প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।