বিদেশে যাবে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী চমচম এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলের চমচম শুধু দেশের মানুষের কাছেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছেও পরিচিত। টাঙ্গাইলের শাড়ি যেমন বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক, চমচমও তেমনি জেলার ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নেওয়া সবার দায়িত্ব।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ও স্থানীয় পণ্য মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এ উৎসবের আয়োজন। চমচমকে কীভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, চমচম শিল্পের প্রসার ঘটলে একদিকে যেমন রপ্তানি আয় বাড়বে, অন্যদিকে এ খাতে মানুষের আগ্রহ ও কর্মসংস্থানও বাড়বে। এর সুফল স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়বে।
টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন তিনি। বিদেশে টাঙ্গাইলের শাড়ির ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে তাঁতিদের স্বল্প সুদে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলে সমাবেশ আয়োজনের মাধ্যমে এ শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’। টাঙ্গাইলের শতবর্ষের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য, স্থানীয় পণ্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
উৎসবে জেলার ১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি স্টলে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য শুধু জেলার নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্ব—এই বার্তা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়াই উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জেলার পর্যটন সম্ভাবনাও কাজে লাগানো হবে।

























