এইচএসসি ও ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি ও ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা এবং তিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ মো. খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ মোছা. রহিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. আলেয়া বেগম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এন্তেজামুল হক এবং জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ওয়াহেদুন নবীকে সম্মাননা স্মারক, মানপত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে এইচএসসি ও ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এস এম আব্দুল্লাহ আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক সামিউল ইসলাম, কায়সার পারভেজ ও মনঞ্জুরুল ইসলাম শাহ। বিদায়ী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ও সাংবাদিক আজিজুল হক সরকার। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র পাঠ করেন তিশা রানী সরকার।
বিদায়ী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিতে গিয়ে সহকারী অধ্যাপক মো. এন্তেজামুল হক বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে এই কলেজ ছিল তাঁর দ্বিতীয় পরিবার। শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের প্রকৃত সার্থকতা শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মধ্যেই নিহিত।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. খুরশিদ আলম বলেন, অবসর মানেই সম্পর্কের অবসান নয়। শিক্ষকরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেও তারা সবসময় কলেজ পরিবারের অংশ হয়ে থাকবেন। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে নিয়মিত মতবিনিময়ের আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রধান অতিথি মো. হারুনুর রশিদ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের জায়গা নয়, এটি মূল্যবোধ ও আদর্শ গঠনের কেন্দ্র। বিদায়ী শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও কর্মজীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
বিশেষ অতিথি মোছা. রহিদা বেগম বলেন, বিদায় বিচ্ছেদের নয়, নতুন যাত্রার সূচনা। শিক্ষার্থীরা কলেজের সুনাম ধরে রেখে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে সফল হবে—এটাই প্রত্যাশা।
আলোচনা ও সম্মাননা প্রদান শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে লটারি ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন পরিবেশনায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।






















