বেতন বাড়লেও বদলাতে পারে ভাতা, চূড়ান্ত পর্যায়ে নবম পে স্কেল

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেলের খসড়া গেজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যৌথভাবে চূড়ান্ত প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন কত শতাংশ বাড়ানো হবে, তা নিয়ে কয়েকটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি প্রস্তাবে সব গ্রেডের মূল বেতন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আরেকটি প্রস্তাবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে।
এ ছাড়া নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
তবে শুধু বেতন বাড়ানো নয়, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ভাতার কাঠামোতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বাড়িভাড়া ভাতা পুনর্বিবেচনা, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক ও যাতায়াত ভাতার সীমা নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
অর্থ বিভাগের মতে, বেতন বৃদ্ধি ও সরকারের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রাখতেই ভাতার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে কিছু ছোট ভাতা বাতিল বা সীমিত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
এদিকে নতুন পে স্কেলে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি লিভ প্রিপারেটরি টু রিটায়ারমেন্ট (এলপিআর)-এ থাকা সরকারি কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধা পুনর্বিন্যাস করে নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে সরকার।




















