প্রায় দুই বছর পর ভারতের পর্যটন ভিসা চালু, আবেদন করবেন যেভাবে

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও চালু হয়েছে ভারতের পর্যটন ভিসা। রোববার (২৮ জুন) থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। ফলে এখন থেকে নতুন নিয়ম মেনে অনলাইনে আবেদন করে ভারতে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার আইভ্যাক কেন্দ্র থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য ভিসা আবেদন কেন্দ্রেও এই কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় সব ধরনের নিয়মিত ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেয় ভারত। পরে সীমিত পরিসরে মেডিকেল, ব্যবসা, শিক্ষার্থী ও সরকারি ভিসা চালু হলেও পর্যটন ভিসা এতদিন বন্ধ ছিল।
অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া
ভারতের পর্যটন ভিসার জন্য প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হলে সেটি ডাউনলোড করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিতে হবে।
আবেদনকারীদের আগে সাইন-আপ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। সফলভাবে ওয়েবফাইল আপলোডের পর নির্ধারিত সময়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যাবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার পর অনলাইনে আইভ্যাকের সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে হবে।
আপলোড করা আবেদনপত্রের পিডিএফ ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না। পরিবর্তিত বা সম্পাদিত কোনো ফাইল গ্রহণ করা হবে না।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সঙ্গে রাখতে হবে—
- কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদি মূল পাসপোর্ট
- পাসপোর্টের প্রথম চার পৃষ্ঠার কপি
- পুরোনো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- সাম্প্রতিক ২×২ ইঞ্চি রঙিন ছবি
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের কপি
- ইউটিলিটি বিল
- পেশার প্রমাণপত্র
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে নিয়োগপত্র, শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র এবং ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স জমা দিতে হবে।
ভিসা ফি ও পাসপোর্ট সংগ্রহ
ভারতের পর্যটন ভিসার জন্য কোনো ভিসা ফি নেওয়া হবে না। তবে আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা সার্ভিস চার্জ নেবে।
ভিসা প্রক্রিয়া শেষ হলে আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর নির্ধারিত আইভ্যাক কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে।
















