ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুষ্টি সচেতনতায় ব্যতিক্রমী আয়োজন

টাঙ্গাইলে শিশুদের নিয়ে দেশীয় ফল উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশীয় ফলের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়ানো এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতন করতে টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। “নিয়মিত দেশীয় ফল খেলে—সব ধরনের পুষ্টি মেলে” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেয় শিশু শিক্ষার্থী ও পাঠাগারের পাঠকরা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার প্রাঙ্গণে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়। পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহজাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুষ্টিবিদ মো. আব্দুল হাকিম, কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হালিমুজ্জামান, পাঠাগারের উপদেষ্টা হাজী মো. কোরবান আলীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান বলেন, শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতেই নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষামূলক আয়োজন করা হয়। ফল উৎসবও সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মৌসুমি ও দেশীয় ফল স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য। শরীর সুস্থ রাখতে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে নিয়মিত দেশীয় ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে শিশুদের ফলজ গাছ রোপণে উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান তারা।

উৎসবে অংশ নেওয়া শিশু শিক্ষার্থীরা জানায়, এ আয়োজনের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দেশীয় ফল, এর পুষ্টিগুণ এবং ফলজ গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে জানতে পেরেছে। এমন শিক্ষামূলক আয়োজন নিয়মিত হলে আরও বেশি শিশু উপকৃত হবে বলে তাদের অভিমত।

অনুষ্ঠান শেষে আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পেঁপে, জাম, লটকন, পেয়ারা, ডেউয়া, আমলকি ও আনারসসহ বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে ধারণ করে ২০১০ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র পাঠাগার স্থাপন, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ পরিচালনা করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুষ্টি সচেতনতায় ব্যতিক্রমী আয়োজন

টাঙ্গাইলে শিশুদের নিয়ে দেশীয় ফল উৎসব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দেশীয় ফলের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়ানো এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতন করতে টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। “নিয়মিত দেশীয় ফল খেলে—সব ধরনের পুষ্টি মেলে” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেয় শিশু শিক্ষার্থী ও পাঠাগারের পাঠকরা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার প্রাঙ্গণে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়। পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহজাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুষ্টিবিদ মো. আব্দুল হাকিম, কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হালিমুজ্জামান, পাঠাগারের উপদেষ্টা হাজী মো. কোরবান আলীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান বলেন, শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতেই নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষামূলক আয়োজন করা হয়। ফল উৎসবও সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মৌসুমি ও দেশীয় ফল স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য। শরীর সুস্থ রাখতে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে নিয়মিত দেশীয় ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে শিশুদের ফলজ গাছ রোপণে উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান তারা।

উৎসবে অংশ নেওয়া শিশু শিক্ষার্থীরা জানায়, এ আয়োজনের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দেশীয় ফল, এর পুষ্টিগুণ এবং ফলজ গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে জানতে পেরেছে। এমন শিক্ষামূলক আয়োজন নিয়মিত হলে আরও বেশি শিশু উপকৃত হবে বলে তাদের অভিমত।

অনুষ্ঠান শেষে আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পেঁপে, জাম, লটকন, পেয়ারা, ডেউয়া, আমলকি ও আনারসসহ বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে ধারণ করে ২০১০ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র পাঠাগার স্থাপন, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ পরিচালনা করে আসছে।