বিলবোর্ডের ফাঁদে কাটা পড়ল মহাসড়কের গাছ

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজকে লাগানো বিপুলসংখ্যক গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় লাগানো এসব গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার এলাকায়। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানিয়েছে, গত ২১ জুন রাত থেকে ২২ জুন সকালের মধ্যে মহাসড়কের মিডিয়ানে থাকা সোনালু, জারুল, বকুল, পলাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হয়।
সওজ কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং যানবাহনের আলো নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব গাছ লাগানো হয়েছিল।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে থাকা একটি সিমেন্ট কোম্পানির বিলবোর্ড গাছের কারণে আড়ালে পড়ে যাচ্ছিল। বিলবোর্ডটি দৃশ্যমান করতেই পরিকল্পিতভাবে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বিষয়টি জানার পর তদন্ত শেষে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সময় সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং যানবাহনের হেডলাইটের আলো নিয়ন্ত্রণের জন্য মিডিয়ানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে সোনালু, জারুল, বকুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, কদমসহ নানা গাছ ছিল।
কুমিল্লা সওজের কার্য সহকারী মোবারক হোসেন জানান, ২২ জুন সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গাছ কাটার ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সওজ কুমিল্লার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান ইবনে হাসান বলেন, সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে এসব গাছ লাগানো হয়েছিল। রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে থাকা একটি সিমেন্ট কোম্পানির বিলবোর্ড গাছের কারণে আড়ালে পড়ে যাচ্ছিল। সেটি দৃশ্যমান করতেই পরিকল্পিতভাবে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

















