ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাবার মরদেহ ঘরে, জমি ভাগাভাগি নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ; পুলিশের হস্তক্ষেপে দাফন একই পরিবারের ৪ হত্যা: পুলিশের বয়ান ঘিরে প্রশ্ন, তদন্ত গেল ডিবিতে আশ্রয়প্রার্থীদের বড় ধাক্কা, ২ লাখের ভিসা বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র রাজপথের লড়াই থেকে নেতৃত্বের দ্বারপ্রান্তে আরিফুল ইসলাম আরিফ অসহায় মানুষের জন্য ‘শ্যামল বাংলা ফ্রি মেডিকেল সেন্টার’ চালু ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন ১৪ মার্চ শুরু ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা, শেষ ১৫ এপ্রিল ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের উপবৃত্তি পুনর্বহালের উদ্যোগ মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে নতুন নিয়ম, মানতে হবে ৮ ধাপ বিদ্যালয় আছে, শিক্ষক নেই—টাঙ্গাইলে শূন্য ১,৪৫৯ পদ

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী সাবেক এমপি কর্নেল কাদেরের মৃত্যু

সরকার লুৎফর রহমান,গাইবান্ধা
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামী একই আসনের সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান (৭৮)  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন)রবিবার ( ১৯ জানুয়ারী) ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর এ বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন তাঁর ভাগিনা গাইবান্ধার একটি বেসরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।

তিনি জানান, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় ফাঁসির আসামি ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খান। গত বছরের ৯ অক্টোবর কেরানীগঞ্জ কারাগারে ব্রেন স্ট্রোক করলে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৩ অক্টোবর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ জানুয়ারি তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। রবিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি মারা যান। কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একমাত্র পুত্র সন্তান রেখে যান। তারা দুজনই চিকিৎসক।

উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহত হন। এই ঘটনায় লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকলী বুলবুল সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি দেখানো হয়। এরপর ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক একই আসনের আরেক সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন। এ ছাড়া লিটন হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া অস্ত্র আইন মামলায় আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী সাবেক এমপি কর্নেল কাদেরের মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামী একই আসনের সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান (৭৮)  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন)রবিবার ( ১৯ জানুয়ারী) ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর এ বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন তাঁর ভাগিনা গাইবান্ধার একটি বেসরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।

তিনি জানান, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় ফাঁসির আসামি ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খান। গত বছরের ৯ অক্টোবর কেরানীগঞ্জ কারাগারে ব্রেন স্ট্রোক করলে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৩ অক্টোবর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ জানুয়ারি তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। রবিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি মারা যান। কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একমাত্র পুত্র সন্তান রেখে যান। তারা দুজনই চিকিৎসক।

উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহত হন। এই ঘটনায় লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকলী বুলবুল সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি দেখানো হয়। এরপর ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক একই আসনের আরেক সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন। এ ছাড়া লিটন হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া অস্ত্র আইন মামলায় আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।