ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর চেষ্টা করে বাজেট: জ্বালানিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানোর চেষ্টা করেই ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

শুক্রবার (১২ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমিয়ে আর্থিক চাপ সামলানোর লক্ষ্যেই বাজেটে বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, অতীত সরকারের সময় পরিকল্পনাহীনভাবে বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও সরবরাহ সংকট তৈরি হয়।

তিনি আরও জানান, দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে টেকসই করতে বিদ্যমান বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আইনি বাধা না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রটি থেকে আগামী নভেম্বর মাস থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ খাতে নির্ভরতা বাড়ানো, একই সঙ্গে ভর্তুকি কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর চেষ্টা করে বাজেট: জ্বালানিমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানোর চেষ্টা করেই ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

শুক্রবার (১২ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমিয়ে আর্থিক চাপ সামলানোর লক্ষ্যেই বাজেটে বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, অতীত সরকারের সময় পরিকল্পনাহীনভাবে বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও সরবরাহ সংকট তৈরি হয়।

তিনি আরও জানান, দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে টেকসই করতে বিদ্যমান বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আইনি বাধা না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রটি থেকে আগামী নভেম্বর মাস থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ খাতে নির্ভরতা বাড়ানো, একই সঙ্গে ভর্তুকি কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।