কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা? রাজনৈতিক জল্পনায় তুঙ্গে উত্তেজনা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে
বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা ঘিরে ফের জোরালো হয়েছে জল্পনা—তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেসের মধ্যে কি আসন্ন কোনো রাজনৈতিক পুনর্গঠন বা একীভূতকরণের আলোচনা চলছে?
সূত্রের দাবি, সম্প্রতি দুই দলের শীর্ষস্তরে সম্ভাব্য সমঝোতা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। এমনকি কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
তবে এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের অভ্যন্তরেই দেখা দিয়েছে মতভেদ। দলের একাংশ স্পষ্টভাবেই এই ধরনের কোনো সমঝোতা বা সংযুক্তিকরণের বিরোধিতা করছে।
প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী এবং আবদুল মান্নান-এর মতো নেতারা তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো ধরনের জোট বা একীভূতকরণের বিরোধিতা করে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁদের মতে, অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে এমন সিদ্ধান্ত দলীয় আদর্শ ও কর্মীদের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের একটি অংশ তুলনামূলকভাবে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মেনে যারা দলে আসতে চান, তাদের স্বাগত জানানো হবে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে সেই বিষয়ে কঠোর অবস্থান থাকবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লিতে কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতৃত্বের উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী-এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-এর সঙ্গে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব বৈঠককে সরাসরি দলীয় একীভূতকরণ বা যোগদানের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা এখনও সময়ের আগেই হবে। বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান না আসা পর্যন্ত জল্পনাই এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।





















