ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন: লাভবান হবে কারা? বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস: সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব কোথায়? হকারদের জন্য নতুন নীতিমালা, কোথায় বসবেন আর মাসে কত টাকা দেবেন? গুলির নির্দেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেট ও আওয়ামী আমলের পিএসদের পদোন্নতি দায়িত্বশীল রাজনীতি ও সাংবাদিকতার চর্চা জরুরি: নাহিদ ইসলাম শতভাগ জিপিএ-৫ নিয়ে প্রশ্ন, নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলকে শোকজ নতুন অর্থনৈতিক সমীকরণের বার্তা, ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা তারেক রহমানের ভারত সফরে ‘রেড লাইন’, কঠিন শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ র‍্যাব বিলুপ্ত, আসছে এসআরবি: নতুন আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ, আমন্ত্রণপত্র তুলে দিলেন রাষ্ট্রদূত

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

বেগম খালেদা জিয়া-পুরনো ছবি

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আরেক আসামি আপিল না করায় রায়ের দিন পিছিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ বিষয়ে আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার আগ মুহূর্তে অপর আসামি সালিমুল হকের কামালের আপিল না করার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপর রায়ের দিন পিছিয়ে দেন আদালত।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। এমনকি তিনি ট্রাস্টের সদস্যও নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরও আগে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে, এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আরেক আসামি আপিল না করায় রায়ের দিন পিছিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ বিষয়ে আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার আগ মুহূর্তে অপর আসামি সালিমুল হকের কামালের আপিল না করার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপর রায়ের দিন পিছিয়ে দেন আদালত।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। এমনকি তিনি ট্রাস্টের সদস্যও নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরও আগে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে, এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।