ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনে সর্বনিম্ন ভাড়া ৬৮৫ টাকা ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক দেশের জন্য ভয়াবহ: ইসলামী আন্দোলন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ১ নভেম্বর থেকে চলবে দুটি ডাবল ডেকার বাস স্কুলের বাথরুমে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, আত্মগোপনে শিক্ষক ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের পক্ষে সাফাই পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের চলতি বছর প্রাণহানি ৪০০,অক্টোবরে মারা গেছে ১৫৫ জন তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা, বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি জাপানের অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ১,২৯৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

বেগম খালেদা জিয়া-পুরনো ছবি

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আরেক আসামি আপিল না করায় রায়ের দিন পিছিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ বিষয়ে আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার আগ মুহূর্তে অপর আসামি সালিমুল হকের কামালের আপিল না করার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপর রায়ের দিন পিছিয়ে দেন আদালত।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। এমনকি তিনি ট্রাস্টের সদস্যও নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরও আগে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে, এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আরেক আসামি আপিল না করায় রায়ের দিন পিছিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ বিষয়ে আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার আগ মুহূর্তে অপর আসামি সালিমুল হকের কামালের আপিল না করার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপর রায়ের দিন পিছিয়ে দেন আদালত।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। এমনকি তিনি ট্রাস্টের সদস্যও নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরও আগে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে, এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।