ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষক কার্ডে মিলবে আবহাওয়ার আগাম বার্তা, থাকছে ১০ ধরনের সুবিধা মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে চার মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার নতুন গ্যাসের সন্ধান, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট চার দিন এলএনজি সরবরাহ কমবে, সারাদেশে গ্যাসের স্বল্পচাপের আশঙ্কা সিলেটে ডেঙ্গুর সংক্রমণে অক্টোবরেই ছাড়াল আগের ৯ মাসের রেকর্ড শ্রমিক অসন্তোষে কিছু শিল্প মালিক ও সংগঠনের ইন্ধন, অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফুটপাত দখলমুক্ত হলে ফিরবে শপিং মলের সুদিন? লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল ফেরত চাওয়ায় হামলায় ব্যবসায়ী নিহত পুরুষের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি! ৮ ঘণ্টা নিষ্ক্রিয় থাকবে শুক্রাণু

মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে চার মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মাসিক মজুরির দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব ঘটনায় মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানায় চারটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোতে অজ্ঞাতনামা সাড়ে ১০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন ২২ জন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় ও সহিংসতায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) মামলার তথ্য ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবারও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তাঁর থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলার বাদী পুলিশ। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৬ জন।

দুই থানার তথ্য অনুযায়ী, চার মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ২২। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় এখন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও অভিযুক্তদের শনাক্তের ওপর জোর দিচ্ছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে চার মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মাসিক মজুরির দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব ঘটনায় মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানায় চারটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোতে অজ্ঞাতনামা সাড়ে ১০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন ২২ জন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় ও সহিংসতায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) মামলার তথ্য ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবারও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তাঁর থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলার বাদী পুলিশ। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৬ জন।

দুই থানার তথ্য অনুযায়ী, চার মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ২২। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় এখন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও অভিযুক্তদের শনাক্তের ওপর জোর দিচ্ছে পুলিশ।