ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই কয়েকটি নদী ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, কমতে পারে বাজারদর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ৬ মামলায় রায়: ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন, শেষ বিদায়ে রেখে গেলেন কান্নাভেজা ভিডিওবার্তা সবার জন্য খুলছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন, মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁসি; ভুক্তভোগী পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ বন্যাদুর্গত চট্টগ্রামের ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কুলাউড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন, ইউপি সদস্যকে জরিমানা ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধান দাবিতে যশোরে অবস্থান কর্মসূচি

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, কমতে পারে বাজারদর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম চালানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯ হাজার ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ দেশে এসেছে। আমদানিকারকদের আশা, সরবরাহ বাড়লে শিগগিরই বাজারে মরিচের দাম কমে আসবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় একটি ট্রাকে করে কাঁচা মরিচের চালানটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় বন্দর আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই তা ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।

প্রথম চালানটি আমদানি করেছে শিমু এন্টারপ্রাইজ। পণ্য খালাসে সহযোগিতা করেছে শিমু শিপিং লাইন্স

আমদানিকারক শাহাজান জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। কম লাভে বাজারে বিক্রি করা হবে। তবে কাস্টমস ও ছাড়করণ প্রক্রিয়ার জটিলতায় অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

টানা ভারী বর্ষণের কারণে দেশে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। অনেক বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে নাসিক থেকে এসব মরিচ আসছে।

আমদানি নথি অনুযায়ী, প্রতি টন কাঁচা মরিচের ঘোষিত মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজির ঘোষিত মূল্য প্রায় ২৪ টাকা। এর সঙ্গে কেজিপ্রতি প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক ছাড়াও পরিবহন, বন্দর, কাস্টমস ও খালাস ব্যয় যোগ হওয়ায় প্রকৃত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, কাঁচা মরিচবাহী ট্রাক দ্রুত খালাস করা হয়েছে। সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি ট্রাক অপেক্ষায় রয়েছে, যা মঙ্গলবার বন্দরে প্রবেশ করবে।

কৃষি বিভাগের মতে, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই আমদানি কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তিও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, কমতে পারে বাজারদর

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম চালানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯ হাজার ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ দেশে এসেছে। আমদানিকারকদের আশা, সরবরাহ বাড়লে শিগগিরই বাজারে মরিচের দাম কমে আসবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় একটি ট্রাকে করে কাঁচা মরিচের চালানটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় বন্দর আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই তা ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।

প্রথম চালানটি আমদানি করেছে শিমু এন্টারপ্রাইজ। পণ্য খালাসে সহযোগিতা করেছে শিমু শিপিং লাইন্স

আমদানিকারক শাহাজান জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। কম লাভে বাজারে বিক্রি করা হবে। তবে কাস্টমস ও ছাড়করণ প্রক্রিয়ার জটিলতায় অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

টানা ভারী বর্ষণের কারণে দেশে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। অনেক বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে নাসিক থেকে এসব মরিচ আসছে।

আমদানি নথি অনুযায়ী, প্রতি টন কাঁচা মরিচের ঘোষিত মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজির ঘোষিত মূল্য প্রায় ২৪ টাকা। এর সঙ্গে কেজিপ্রতি প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক ছাড়াও পরিবহন, বন্দর, কাস্টমস ও খালাস ব্যয় যোগ হওয়ায় প্রকৃত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, কাঁচা মরিচবাহী ট্রাক দ্রুত খালাস করা হয়েছে। সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি ট্রাক অপেক্ষায় রয়েছে, যা মঙ্গলবার বন্দরে প্রবেশ করবে।

কৃষি বিভাগের মতে, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই আমদানি কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তিও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।