ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হবে ৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই কয়েকটি নদী ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, কমতে পারে বাজারদর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ৬ মামলায় রায়: ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন, শেষ বিদায়ে রেখে গেলেন কান্নাভেজা ভিডিওবার্তা সবার জন্য খুলছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন, মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁসি; ভুক্তভোগী পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ বন্যাদুর্গত চট্টগ্রামের ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কুলাউড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন, ইউপি সদস্যকে জরিমানা

৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই কয়েকটি নদী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অতি ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলা এবং সিলেট বিভাগের দুই জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকটি নদীর পানি সতর্কসীমা ও বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং সংলগ্ন উজানে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় সতর্কসীমা অতিক্রম করে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন সিলেটের নিম্নাঞ্চলে বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

উত্তরাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে, আর তিস্তার পানি স্থিতিশীল থাকলেও আগামী তিন দিনে তা বাড়তে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া ধরলা নদীর পানি কিছু এলাকায় সতর্কসীমা ছুঁতে পারে। ফলে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আগামী পাঁচ দিন বাড়তে পারে। এর প্রভাবে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সতর্কসীমার কাছাকাছি পানি প্রবাহিত হতে পারে এবং কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার কিছু এলাকায় এসব নদীর পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে।

চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও গোমতী নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানিও আবার বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই কয়েকটি নদী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

অতি ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলা এবং সিলেট বিভাগের দুই জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকটি নদীর পানি সতর্কসীমা ও বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং সংলগ্ন উজানে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় সতর্কসীমা অতিক্রম করে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন সিলেটের নিম্নাঞ্চলে বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

উত্তরাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে, আর তিস্তার পানি স্থিতিশীল থাকলেও আগামী তিন দিনে তা বাড়তে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া ধরলা নদীর পানি কিছু এলাকায় সতর্কসীমা ছুঁতে পারে। ফলে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আগামী পাঁচ দিন বাড়তে পারে। এর প্রভাবে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সতর্কসীমার কাছাকাছি পানি প্রবাহিত হতে পারে এবং কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার কিছু এলাকায় এসব নদীর পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে।

চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও গোমতী নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানিও আবার বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।