ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোটি টাকার যানবাহন ডাম্পিংয়ে নষ্ট, রেকার বাণিজ্যের নেপথ্যে কারা? জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ধাক্কা, পরিবহন ব্যয় থেকে নিত্যপণ্যের বাজারে চাপ দেবিদ্বারে মা-ভাবি-ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা, হাসপাতালে ভাবিরও মৃত্যু এমপি নজরুলের বাসায় দ্বিতীয় স্ত্রীর শেষ চিঠি, উঠে এসেছে সম্পর্কের টানাপোড়েন বিমানবন্দর রেলস্টেশনে পরিচয়, জামালপুরে নিয়ে যৌনপল্লীতে বিক্রি দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের গণ্ডি পেরিয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে হামলার শঙ্কা, বাড়ছে উদ্বেগ ইউপি ভোট নিয়ে নতুন হিসাব, নজর জানুয়ারিতে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল

২০২৯ সালের জুনে শেষ হতে পারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ

আবুল কাশেম রুমন ,সিলেট
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


আগামী ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করে সড়কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেন প্রকল্পটি দীর্ঘদিন আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছরেও এর অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ২৭ শতাংশ।

শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মহাসড়ক নির্মাণের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির অগ্রগতি অসন্তোষজনক। তবে বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে দরপত্র অনুযায়ী মহাসড়কের নির্মাণকাজ শেষ করে জনগণের জন্য খুলে দিতে চাই।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও কিছুটা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় কাজের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্পটির অন্যতম বড় সমস্যা ছিল, তবে এখন তা সমাধানের পথে রয়েছে।

যেসব স্থানে ভৌত কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়, সেসব অংশে কাজ আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২০২৯ সালের জুনে শেষ হতে পারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আগামী ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করে সড়কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেন প্রকল্পটি দীর্ঘদিন আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছরেও এর অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ২৭ শতাংশ।

শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মহাসড়ক নির্মাণের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির অগ্রগতি অসন্তোষজনক। তবে বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে দরপত্র অনুযায়ী মহাসড়কের নির্মাণকাজ শেষ করে জনগণের জন্য খুলে দিতে চাই।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও কিছুটা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় কাজের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্পটির অন্যতম বড় সমস্যা ছিল, তবে এখন তা সমাধানের পথে রয়েছে।

যেসব স্থানে ভৌত কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়, সেসব অংশে কাজ আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।