ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পের আগেই ভেনেজুয়েলাকে সতর্ক করল গুগল, কীভাবে মিলল তথ্য?

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভেনেজুয়েলা। শক্তিশালী এই কম্পনের কয়েক সেকেন্ড আগেই গুগলের পক্ষ থেকে ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পেয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই গুগলের পাঠানো অ্যালার্টের স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছেন।

কিন্তু ভূমিকম্প হওয়ার আগেই গুগল কীভাবে এই তথ্য পেল?

এর পেছনে কাজ করে স্মার্টফোনের একটি বিশেষ সেন্সর—অ্যাক্সেলেরোমিটার। সাধারণত এই সেন্সর ফোনের অবস্থান পরিবর্তন বুঝে স্ক্রিন ঘোরানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মাটির কম্পনও শনাক্ত করতে পারে।

গুগলের ‘অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম’ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। কোনো এলাকায় থাকা অসংখ্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেন্সর যখন একই ধরনের অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত করে, তখন সেই তথ্য গুগলের সার্ভারে পাঠানো হয়। এরপর সিস্টেম দ্রুত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ভূমিকম্পের সতর্কতা পাঠায়।

ভূমিকম্পের সময় প্রথমে আসে ‘পি-ওয়েভ’ বা প্রাথমিক তরঙ্গ। এটি অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তুলনামূলক কম ক্ষতিকর। পরে আসে ‘এস-ওয়েভ’, যা ধীরগতির হলেও বেশি ধ্বংসাত্মক।

স্মার্টফোনের সেন্সর মূলত এই প্রাথমিক কম্পন বা পি-ওয়েভ শনাক্ত করতে পারে। ফলে ক্ষতিকর কম্পন পৌঁছানোর আগেই কিছু মানুষ সতর্কবার্তা পেয়ে যেতে পারেন।

তবে এটি ভূমিকম্প আগে থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করার প্রযুক্তি নয়। বরং ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পর দ্রুত শনাক্ত করে কয়েক সেকেন্ড আগে সতর্ক করার একটি ব্যবস্থা। বড় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এই কয়েক সেকেন্ডই অনেক সময় জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভূমিকম্পের আগেই ভেনেজুয়েলাকে সতর্ক করল গুগল, কীভাবে মিলল তথ্য?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভেনেজুয়েলা। শক্তিশালী এই কম্পনের কয়েক সেকেন্ড আগেই গুগলের পক্ষ থেকে ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পেয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই গুগলের পাঠানো অ্যালার্টের স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছেন।

কিন্তু ভূমিকম্প হওয়ার আগেই গুগল কীভাবে এই তথ্য পেল?

এর পেছনে কাজ করে স্মার্টফোনের একটি বিশেষ সেন্সর—অ্যাক্সেলেরোমিটার। সাধারণত এই সেন্সর ফোনের অবস্থান পরিবর্তন বুঝে স্ক্রিন ঘোরানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মাটির কম্পনও শনাক্ত করতে পারে।

গুগলের ‘অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম’ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। কোনো এলাকায় থাকা অসংখ্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেন্সর যখন একই ধরনের অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত করে, তখন সেই তথ্য গুগলের সার্ভারে পাঠানো হয়। এরপর সিস্টেম দ্রুত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ভূমিকম্পের সতর্কতা পাঠায়।

ভূমিকম্পের সময় প্রথমে আসে ‘পি-ওয়েভ’ বা প্রাথমিক তরঙ্গ। এটি অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তুলনামূলক কম ক্ষতিকর। পরে আসে ‘এস-ওয়েভ’, যা ধীরগতির হলেও বেশি ধ্বংসাত্মক।

স্মার্টফোনের সেন্সর মূলত এই প্রাথমিক কম্পন বা পি-ওয়েভ শনাক্ত করতে পারে। ফলে ক্ষতিকর কম্পন পৌঁছানোর আগেই কিছু মানুষ সতর্কবার্তা পেয়ে যেতে পারেন।

তবে এটি ভূমিকম্প আগে থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করার প্রযুক্তি নয়। বরং ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পর দ্রুত শনাক্ত করে কয়েক সেকেন্ড আগে সতর্ক করার একটি ব্যবস্থা। বড় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এই কয়েক সেকেন্ডই অনেক সময় জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।