হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর মিনা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে মিনায় হাজিদের অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় হজের কার্যক্রম। সৌদি আরব সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত রাত থেকেই ইহরাম বেঁধে মক্কার মসজিদুল হারাম হয়ে মিনায় পৌঁছাতে শুরু করেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা।
লাখো হাজির কণ্ঠে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে মিনার প্রান্তর। তাঁবুর নগরীখ্যাত মিনাজুড়ে এখন ইবাদত-বন্দেগির পরিবেশ বিরাজ করছে। হাজিরা তাঁবুতে অবস্থান করে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আযকার ও দরুদ পাঠে সময় কাটাচ্ছেন।
হজের নিয়ম অনুযায়ী, মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে হাজিরা মূল হজের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। তারা এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ৯ জিলহজের ফজরসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। জামাতে এসব নামাজ আদায় করা সুন্নত।
মঙ্গলবার (৯ জিলহজ) মিনায় রাত্রিযাপন শেষে হাজিরা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে এ বছরের হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববির প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুজাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন। ইসলামী শরিয়তে আরাফাতে অবস্থানকেই হজের মূল রোকন হিসেবে গণ্য করা হয়।
সূর্যাস্তের পর হাজিরারা মুজদালিফার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ মিনায় ফিরে বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার মধ্য দিয়ে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে বাকি আনুষ্ঠানিকতা পালন শেষে সূর্যাস্তের আগে হাজিরা মিনা ত্যাগ করবেন।
এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এবার প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ হাজি পবিত্র হজ পালন করছেন।






















