ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টা-তারেক রহমান বৈঠক

লন্ডনে আলোচনায় নির্বাচন ইস্যু!

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫ ১২২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের লন্ডনে ১৩ জুন বৈঠকে পর বোঝা যাবে যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বা যাবে। কারণ বৈঠকে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে নির্বাচনের দিনক্ষণের ইস্যু। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এমনটাই জানিয়েছেন। দুই নেতার শীর্ষ পর্যায়ের এ বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করলে, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে কথা বলা হচ্ছে, তা বিঘ্ন হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরে সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে ঘিরে। বিদেশের মাটিতে শীর্ষ দুই নেতার বৈঠককে কেন্দ্র করে কেন এত আলোচনা?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বা আমি যদি আরো স্পষ্ট করে বলি তারেক জিয়ার সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া আসলে কোনো সিদ্ধান্ত বিএনপির পক্ষে বাস্তবায়ন বা নেয়া সম্ভব না। ফলে আগামীতে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে একটা সংস্কার বাস্তবায়ন ও আরেকটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই বিচারে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেই উত্তাপ ও অস্থিরতা আছে তা কমিয়ে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নিতে পারবে বলে আমার কাছে মনে হয়।

তিনি বলেন, আগামী যে নির্বাচন আসছে সেখানে বিএনপির সম্পূর্ণ অংশগ্রহণ দরকার। এই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিটা পর্যায়ে এই রাজনৈতিকদলকে অংশগ্রহণ দরকার।

নতুন দল এনসিপির আশা, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে গুরুত্ব পাবে জুলাই চেতনা। দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, এই জেনারেশনটা কী চাচ্ছে, কোন ধরনের সংস্কার চাচ্ছে এবং কোন ধরনের পরিবর্তনগুলো চাচ্ছে-সেই বিষয়ে ঐকমত্য হওয়া জরুরি। সহিংসতার যে রাজনীতি, সেই রাজনীতির ইতি টানতে চাই আমরা।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তারা দুজন বসবে, কথা বলবে, সেখানে রাজনীতি নিয়েই আলাপ হবে। আর এখন রাজনীতি মানেই নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে বিএনপি কী চায় এবং সরকারের অবস্থান-এই দুটি মিলিয়ে একটি মিডপয়েন্ট আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রধান উপদেষ্টা-তারেক রহমান বৈঠক

লন্ডনে আলোচনায় নির্বাচন ইস্যু!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের লন্ডনে ১৩ জুন বৈঠকে পর বোঝা যাবে যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বা যাবে। কারণ বৈঠকে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে নির্বাচনের দিনক্ষণের ইস্যু। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এমনটাই জানিয়েছেন। দুই নেতার শীর্ষ পর্যায়ের এ বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করলে, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে কথা বলা হচ্ছে, তা বিঘ্ন হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরে সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে ঘিরে। বিদেশের মাটিতে শীর্ষ দুই নেতার বৈঠককে কেন্দ্র করে কেন এত আলোচনা?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বা আমি যদি আরো স্পষ্ট করে বলি তারেক জিয়ার সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া আসলে কোনো সিদ্ধান্ত বিএনপির পক্ষে বাস্তবায়ন বা নেয়া সম্ভব না। ফলে আগামীতে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে একটা সংস্কার বাস্তবায়ন ও আরেকটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই বিচারে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেই উত্তাপ ও অস্থিরতা আছে তা কমিয়ে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নিতে পারবে বলে আমার কাছে মনে হয়।

তিনি বলেন, আগামী যে নির্বাচন আসছে সেখানে বিএনপির সম্পূর্ণ অংশগ্রহণ দরকার। এই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিটা পর্যায়ে এই রাজনৈতিকদলকে অংশগ্রহণ দরকার।

নতুন দল এনসিপির আশা, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে গুরুত্ব পাবে জুলাই চেতনা। দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, এই জেনারেশনটা কী চাচ্ছে, কোন ধরনের সংস্কার চাচ্ছে এবং কোন ধরনের পরিবর্তনগুলো চাচ্ছে-সেই বিষয়ে ঐকমত্য হওয়া জরুরি। সহিংসতার যে রাজনীতি, সেই রাজনীতির ইতি টানতে চাই আমরা।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তারা দুজন বসবে, কথা বলবে, সেখানে রাজনীতি নিয়েই আলাপ হবে। আর এখন রাজনীতি মানেই নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে বিএনপি কী চায় এবং সরকারের অবস্থান-এই দুটি মিলিয়ে একটি মিডপয়েন্ট আসতে পারে।