স্কুলের বাথরুমে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, আত্মগোপনে শিক্ষক

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
যশোরের অভয়নগরে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন ওই শিক্ষক। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা জানান, তাঁর মেয়ে অভয়নগরের বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ে টিফিনের সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায় সে। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বুইকারা গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ইমরান হোসেন সেখানে প্রবেশ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটিকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন ওই শিক্ষক। এতে শিশুটি রক্তাক্ত জখম হয়। কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় সে বিষয়টি গোপন রাখে এবং পরে বাড়িতে ফিরে যায়।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর)সকালে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি খুলে বলে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে শিশুটির গোপনাঙ্গে রক্তাক্ত জখম দেখতে পেয়ে পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুজ্জামান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িতে যান। পরে তাঁরা শিশুটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এরপর তাঁরা বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বিদ্যালয় ঘিরে রাখেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও জানিয়েছেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি হওয়া উচিত।
অভয়নগর থানার ওসি মোহাম্মদ নূরুজ্জামান জানান, একজন নারী পুলিশ সদস্য শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শিক্ষক ইমরান হোসেনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
























