ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেসরকারি তেল আমদানিতে আপত্তি নেই, দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার চান শ্রমিক নেতারা শালিস বৈঠকে গুলি করে হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে চা শিল্পে স্থবিরতা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়তে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেল আমদানিতে নতুন যুগ: রাষ্ট্রের পাশে বেসরকারি খাত ঝুঁকিতে সাজেলেরচর বাজার ও তিন উপজেলার সংযোগ সেতু দুপুর হলেই ঘুমে ঢুলে পড়েন? ক্লান্তি নাকি অন্য কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দলে রোষের মুখে হাছান মাহমুদ, হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ স্বস্তিকর ছিল না ব্রিকসের আগেই ভারত সফরে তারেক রহমান! ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন সমীকরণ?

শালিস বৈঠকে গুলি করে হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী সদর উপজেলার আলোচিত তিনজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো.শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ওমর নাসির সাজু (৩২), ওমর শরীফ সুলতান (২৫) এবং নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার মো. সৌরভ (২৭)। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পী (২৭), কুদরত উল্যাহ (৬৫) ও হারুনুর রশীদ বাবুল (৪৫)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে কলেজ নোয়াখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন হোস্টেলের পুকুরে কুকুরকে গোসল করানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন সন্ধ্যার পর স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক বসে। শালিসে আনোয়ারের বন্ধু রাজিব ও ওয়াসিমও উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এজাহারভুক্ত আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগীদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে আসামি সাজু, সৌরভ ও সুলতান এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে ওয়াসিম, রাজিব ও ইয়াছিন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওয়াসিম ও ইয়াছিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাদেরও মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত রাজিবের স্ত্রী কামরুন নাহার ছবি বাদী হয়ে সুধারাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ১ নম্বর অতিরিক্ত আদালতের পিপি ও বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বরুত উল্যাহ রাসেদ বলেন, গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি ফিরোজ আলম বাপ্পীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার পর থেকে অপর পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শালিস বৈঠকে গুলি করে হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলার আলোচিত তিনজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো.শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ওমর নাসির সাজু (৩২), ওমর শরীফ সুলতান (২৫) এবং নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার মো. সৌরভ (২৭)। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পী (২৭), কুদরত উল্যাহ (৬৫) ও হারুনুর রশীদ বাবুল (৪৫)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে কলেজ নোয়াখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন হোস্টেলের পুকুরে কুকুরকে গোসল করানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন সন্ধ্যার পর স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক বসে। শালিসে আনোয়ারের বন্ধু রাজিব ও ওয়াসিমও উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এজাহারভুক্ত আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগীদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে আসামি সাজু, সৌরভ ও সুলতান এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে ওয়াসিম, রাজিব ও ইয়াছিন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওয়াসিম ও ইয়াছিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাদেরও মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত রাজিবের স্ত্রী কামরুন নাহার ছবি বাদী হয়ে সুধারাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ১ নম্বর অতিরিক্ত আদালতের পিপি ও বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বরুত উল্যাহ রাসেদ বলেন, গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি ফিরোজ আলম বাপ্পীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার পর থেকে অপর পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুদ্দিন।