ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারত সম্ভবত আর শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না বাংলাদেশ আর কখনো ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা ফ্যাসিবাদেরই সুবিধা করবে ​ম্যানুফ্যাকচারিং ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে ভর করে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের পথে ভারত মাভাবিপ্রবি’তে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, প্রয়োজনে ৮২ বছরেও গণতন্ত্রের জন্য লড়ব হাসিনার পথ অনুসরণ করলে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ: প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের চেতনায় গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

বাংলাদেশ আর কখনো ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বড় অর্জন হলো বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত এই নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ আর কখনো কোনো দেশের ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ বা নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য হবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করা। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে কাজ করছে।

দুই বছর আগের জুলাই-আগস্টের পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে সময় বিদেশে অবস্থান করেও তারা দেশে শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি, দমন-পীড়ন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনাগুলো গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

তিনি জানান, ওই সময় জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছিল। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ সৃষ্টি হয়, যা সহিংসতা কমানো এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিই হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্জন এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ আর কখনো ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বড় অর্জন হলো বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত এই নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ আর কখনো কোনো দেশের ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ বা নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য হবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করা। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে কাজ করছে।

দুই বছর আগের জুলাই-আগস্টের পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে সময় বিদেশে অবস্থান করেও তারা দেশে শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি, দমন-পীড়ন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনাগুলো গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

তিনি জানান, ওই সময় জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছিল। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ সৃষ্টি হয়, যা সহিংসতা কমানো এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিই হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্জন এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।