ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, প্রয়োজনে ৮২ বছরেও গণতন্ত্রের জন্য লড়ব

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ২৭ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। প্রয়োজন হলে ৮২ বছর বয়সেও দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আবারও লড়াই করতে প্রস্তুত।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। এ লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজনে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, দলটির মধ্যে এখনো কোনো অনুশোচনা বা আত্মসমালোচনার লক্ষণ দেখা যায় না। বরং তারা আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে দেশের অগ্রযাত্রা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে জন্য সব নাগরিককে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের বিচার আইনের আওতায় নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান রাষ্ট্র পুনর্গঠনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা কাজে লাগাতে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং আন্দোলনের ৩৬ দিনের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



















