ভারতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারত সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে পারেন—এ বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
এ সময় হুমায়ুন কবির বলেন, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনার মাধ্যমেই সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
শেখ হাসিনা ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেউ যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারত সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।



















