ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, দুই সিটির দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক শরণখোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু রাজধানীর বর্জ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গাড়ি চালিয়ে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী চামড়ার বাজারে ধস, ছাগলের চামড়ায় মিলছে না রিকশা ভাড়াও টাঙ্গাইল শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে মাঠে প্রতিমন্ত্রী টুকু মুষলধারে বৃষ্টিতে স্বস্তি, তবু জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি রাজশাহীতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ হাজার ছাড়াল

ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা তৎপরতা ঘিরে নতুন জল্পনা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েনের খবর সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে কি কিউবাকে ঘিরে নতুন কোনো সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Politico-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য সামরিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে। এছাড়া প্রায় আড়াই হাজার মেরিন সেনা নিয়ে ওই অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে যুদ্ধজাহাজ USS Kearsarge।

পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা মার্ক কানসিয়ানের বরাতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে হামলা প্রতিরোধ ও প্রস্তুতিমূলক অবস্থান নিশ্চিত করতেই এসব মোতায়েন করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে এগুলো সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগেও একইভাবে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়তে দেখা গিয়েছিল। পরে বাস্তবেই সামরিক অভিযান শুরু হয়। ফলে এবার ক্যারিবীয় অঞ্চলে বাড়তি সেনা মোতায়েন নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিশেষ করে কিউবাকে ঘিরে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর আগের কিছু বক্তব্যের কারণে। চলতি বছরের মার্চে তিনি বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নজর কিউবার দিকে যাবে। সে সময় তিনি কিউবাকে “দুর্বল রাষ্ট্র” আখ্যা দিয়ে দেশটির কমিউনিস্ট শাসনের পতন “সময়ের অপেক্ষা” বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

এছাড়া ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কিউবাকে ঘিরে ভবিষ্যতে আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এখন পর্যন্ত কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন। তা সত্ত্বেও ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি সামরিক উপস্থিতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা তৎপরতা ঘিরে নতুন জল্পনা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েনের খবর সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে কি কিউবাকে ঘিরে নতুন কোনো সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Politico-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য সামরিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে। এছাড়া প্রায় আড়াই হাজার মেরিন সেনা নিয়ে ওই অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে যুদ্ধজাহাজ USS Kearsarge।

পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা মার্ক কানসিয়ানের বরাতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে হামলা প্রতিরোধ ও প্রস্তুতিমূলক অবস্থান নিশ্চিত করতেই এসব মোতায়েন করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে এগুলো সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগেও একইভাবে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়তে দেখা গিয়েছিল। পরে বাস্তবেই সামরিক অভিযান শুরু হয়। ফলে এবার ক্যারিবীয় অঞ্চলে বাড়তি সেনা মোতায়েন নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিশেষ করে কিউবাকে ঘিরে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর আগের কিছু বক্তব্যের কারণে। চলতি বছরের মার্চে তিনি বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নজর কিউবার দিকে যাবে। সে সময় তিনি কিউবাকে “দুর্বল রাষ্ট্র” আখ্যা দিয়ে দেশটির কমিউনিস্ট শাসনের পতন “সময়ের অপেক্ষা” বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

এছাড়া ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কিউবাকে ঘিরে ভবিষ্যতে আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এখন পর্যন্ত কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন। তা সত্ত্বেও ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি সামরিক উপস্থিতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।