ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, দুই সিটির দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক শরণখোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু রাজধানীর বর্জ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গাড়ি চালিয়ে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী চামড়ার বাজারে ধস, ছাগলের চামড়ায় মিলছে না রিকশা ভাড়াও টাঙ্গাইল শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে মাঠে প্রতিমন্ত্রী টুকু মুষলধারে বৃষ্টিতে স্বস্তি, তবু জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি রাজশাহীতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ হাজার ছাড়াল

নোবেল হবে ট্রাম্প পুরস্কার!—মার্কিন সিনেটরের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

ছবি: এআই নির্মিত।

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নাম। এবার এক রিপাবলিকান সিনেটর দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারলে নোবেল পুরস্কারের নামই বদলে “ট্রাম্প পুরস্কার” রাখা উচিত।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান সিনেটর Lindsey Graham বলেন, ট্রাম্প যদি সব আরব রাষ্ট্রকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দিতে রাজি করাতে পারেন, তবে সেটি হবে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক পরিবর্তনগুলোর একটি।

গ্রাহামের ভাষ্য, সৌদি আরব যদি ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং আরব-ইসরায়েল সংঘাতের দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটে, তাহলে তা হবে যুগান্তকারী ঘটনা। এমন সাফল্য এলে নোবেল শান্তি পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে “ট্রাম্প পুরস্কার” রাখার কথাও বলেন তিনি।

‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ মূলত ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া একাধিক কূটনৈতিক চুক্তির সমষ্টি। এর লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল এবং বিভিন্ন আরব ও মুসলিম-প্রধান দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোসহ কয়েকটি দেশ এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

সম্প্রতি ইরান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ট্রাম্প মুসলিমপ্রধান দেশগুলোকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও কম নয়। বিশেষ করে পাকিস্তান ও ইরানের মতো দেশগুলোর জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে পাকিস্তানের “মৌলিক আদর্শবিরোধী” বলে মন্তব্য করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় সব আরব রাষ্ট্রকে একই কূটনৈতিক কাঠামোয় আনা অত্যন্ত কঠিন। ফলে ট্রাম্পের উদ্যোগ সফল হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এর আগেও নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী María Corina Machado নোবেল পাওয়ার পর সেটি প্রতীকীভাবে ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নোবেল হবে ট্রাম্প পুরস্কার!—মার্কিন সিনেটরের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নাম। এবার এক রিপাবলিকান সিনেটর দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারলে নোবেল পুরস্কারের নামই বদলে “ট্রাম্প পুরস্কার” রাখা উচিত।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান সিনেটর Lindsey Graham বলেন, ট্রাম্প যদি সব আরব রাষ্ট্রকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দিতে রাজি করাতে পারেন, তবে সেটি হবে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক পরিবর্তনগুলোর একটি।

গ্রাহামের ভাষ্য, সৌদি আরব যদি ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং আরব-ইসরায়েল সংঘাতের দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটে, তাহলে তা হবে যুগান্তকারী ঘটনা। এমন সাফল্য এলে নোবেল শান্তি পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে “ট্রাম্প পুরস্কার” রাখার কথাও বলেন তিনি।

‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ মূলত ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া একাধিক কূটনৈতিক চুক্তির সমষ্টি। এর লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল এবং বিভিন্ন আরব ও মুসলিম-প্রধান দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোসহ কয়েকটি দেশ এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

সম্প্রতি ইরান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ট্রাম্প মুসলিমপ্রধান দেশগুলোকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও কম নয়। বিশেষ করে পাকিস্তান ও ইরানের মতো দেশগুলোর জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে পাকিস্তানের “মৌলিক আদর্শবিরোধী” বলে মন্তব্য করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় সব আরব রাষ্ট্রকে একই কূটনৈতিক কাঠামোয় আনা অত্যন্ত কঠিন। ফলে ট্রাম্পের উদ্যোগ সফল হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এর আগেও নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী María Corina Machado নোবেল পাওয়ার পর সেটি প্রতীকীভাবে ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।