জেল হতে পারে মমতার!
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:২৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ঋজু দত্ত (Riju Dutta) এবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগেছেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলের সংগঠন ও প্রচারণার বড় অংশ এখন বাইরের সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC)-এর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, যার দায় নিতে হবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেই।
ঋজু দত্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর দায় নিতে হবে। কীভাবে একটি বাইরের সংস্থা পুরো দলকে নিয়ন্ত্রণে নিল, তার ব্যাখ্যা তাঁদেরই দিতে হবে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অভিযানের সময় দলীয় তথ্য সুরক্ষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল। তাঁর দাবি, বর্তমানে সেই সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এবং রায় বিপক্ষে গেলে জেল পর্যন্ত হতে পারে।
ঋজু দত্ত বলেন, “ইডি অভিযান চলাকালে দলীয় ডেটা সেভ করতে মমতা ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এখন মামলা সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে। রায় খারাপ হলে আইনগত পরিণতি হতে পারে।”
এছাড়া আই-প্যাকের ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেলকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, ভোট পরবর্তী সময়ে দ্রুত জামিন পাওয়া থেকেই বোঝা যায় মামলাটি সাজানো ছিল। তাঁর মতে, এর পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা উচিত।
ঋজু দত্ত আরও অভিযোগ করেন, আই-প্যাক এখন শুধু প্রচারণা নয়, বরং দলের নীতি নির্ধারণ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব ফেলছে, যা দলের জন্য ক্ষতিকর।
তিনি বলেন, “তৃণমূল একসময় জনগণের দল ছিল, এখন তা বাইরের সংস্থার নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।”
তৃণমূল কংগ্রেস এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে দলের একাংশ এই অভিযোগকে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে। অন্যদিকে বিজেপি এটিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অভিযোগ আসন্ন সময়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ চাপ ও রাজনৈতিক অস্বস্তি আরও বাড়াতে পারে।





















