ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাসে তিনবারের বেশি টাকা তুললে দিতে হবে অতিরিক্ত ফি শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কেন বাড়ছে পাহাড় ধস? গবেষণায় উঠে এলো ভয়াবহ চিত্র হত্যার পর ড্রেনে স্কুলছাত্রীর লাশ, যুবককে ফাঁসির দণ্ড আইসিসির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগস কমিটির চেয়ারম্যান হলেন তামিম ইকবাল বিশ্বকাপ ফাইনালে হাফটাইম শো, দীর্ঘ বিরতিতে প্রশ্ন ফুটবলারদের প্রস্তুতি নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রেও আকাশছোঁয়া আয়, ফিফা সভাপতির বেতন কত? শাহবাগের অবরোধ প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি, পাস হয়েছে ১০টি সরকারি বিল মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিগগিরই ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য পুলিশ বাহিনীকে একটি দক্ষ, আধুনিক ও পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করা।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও যেকোনো ধরনের চরমপন্থার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে বলেও তিনি জানান।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে প্রতিবছর দেশ থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতি ও অর্থপাচার যেকোনো উপায়ে বন্ধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একজন কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী—সবাই দিনশেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চান। জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পেশাদার করে গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্র হবে জবাবদিহিমূলক, আর প্রতিটি নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিগগিরই ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য পুলিশ বাহিনীকে একটি দক্ষ, আধুনিক ও পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করা।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও যেকোনো ধরনের চরমপন্থার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে বলেও তিনি জানান।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে প্রতিবছর দেশ থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতি ও অর্থপাচার যেকোনো উপায়ে বন্ধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একজন কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী—সবাই দিনশেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চান। জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পেশাদার করে গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্র হবে জবাবদিহিমূলক, আর প্রতিটি নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।’