ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের বিস্তার ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন আইনে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার বিধান যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১(ক)-এর আওতায় জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভুয়া আইডি, বট নেটওয়ার্ক এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের অনলাইন হয়রানিও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

তিনি জানান, নতুন সংশোধনীতে গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর কনটেন্টের সংজ্ঞা পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং এসব কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন–২০২৬ সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। এতে এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর ছবি, ভিডিও ও অডিওর বিষয়গুলোও আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে মেটার মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার কার্যকর আইন নেই। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না।

তিনি উল্লেখ করেন, কিছু দেশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট অপসারণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশেও সেই ধরনের বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংশোধিত আইনে বিটিআরসি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ, ব্লক বা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হবে।

এছাড়া অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন হচ্ছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের বিস্তার ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন আইনে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার বিধান যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১(ক)-এর আওতায় জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভুয়া আইডি, বট নেটওয়ার্ক এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের অনলাইন হয়রানিও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

তিনি জানান, নতুন সংশোধনীতে গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর কনটেন্টের সংজ্ঞা পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং এসব কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন–২০২৬ সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। এতে এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর ছবি, ভিডিও ও অডিওর বিষয়গুলোও আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে মেটার মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার কার্যকর আইন নেই। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না।

তিনি উল্লেখ করেন, কিছু দেশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট অপসারণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশেও সেই ধরনের বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংশোধিত আইনে বিটিআরসি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ, ব্লক বা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হবে।

এছাড়া অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।