ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: মামলায় গ্রেপ্তার ৩ নম্বর আসামি

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের জুবায়ের হোসেন রাকিব (২৩) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার ৩ নম্বর আসামি সাইফুল ইসলামকে (২৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সাইফুল একই গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শামসুজ্জামান। এর আগে, গতকাল সোমবার ১ জুন সকালে নিহতের মা যোবেদা খাতুন বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা রাকিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।

নিহত রাকিব খানপুর গ্রামের ভোলা গাজী বাড়ির সৌদি প্রবাসী মো. হানিফের ছেলে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাকিবের চাচার বাড়িতে নির্মাণাধীন একটি পাকা ভবনের কাজ চলছিল। এ সময় আসামিরা ওই কাজে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব ও তার ছোট ভাইয়ের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা রাকিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং তার ছোট ভাইকে আহত করে। ঘটনার পরদিন রোববার সকাল ১১টার দিকে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে বসতঘর ও রান্নাঘরসহ আটটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে রাকিব হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে পুলিশের উপস্থিতিতে রাকিবের মরদেহ দাফন করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

ওসি মো. শামসুজ্জামান আরও বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।

তিনি আরও জানান, বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: মামলায় গ্রেপ্তার ৩ নম্বর আসামি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের জুবায়ের হোসেন রাকিব (২৩) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার ৩ নম্বর আসামি সাইফুল ইসলামকে (২৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সাইফুল একই গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শামসুজ্জামান। এর আগে, গতকাল সোমবার ১ জুন সকালে নিহতের মা যোবেদা খাতুন বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা রাকিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।

নিহত রাকিব খানপুর গ্রামের ভোলা গাজী বাড়ির সৌদি প্রবাসী মো. হানিফের ছেলে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাকিবের চাচার বাড়িতে নির্মাণাধীন একটি পাকা ভবনের কাজ চলছিল। এ সময় আসামিরা ওই কাজে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব ও তার ছোট ভাইয়ের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা রাকিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং তার ছোট ভাইকে আহত করে। ঘটনার পরদিন রোববার সকাল ১১টার দিকে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে বসতঘর ও রান্নাঘরসহ আটটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে রাকিব হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে পুলিশের উপস্থিতিতে রাকিবের মরদেহ দাফন করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

ওসি মো. শামসুজ্জামান আরও বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।

তিনি আরও জানান, বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।